হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে চিহ্নিত দূবৃর্ত্ত দলের হাতে খুন হওয়া যুবলীগ নেতার ঘাতক দলের এক সদস্যকে জনতার সহায়তায় আটক করেছে পুলিশ এবং পোস্টমর্টেম শেষে নিহত যুবনেতাকে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ২০২১সালের ১লা জানুয়ারী (শুক্রবার) বিকাল সাড়ে ৫টারদিকে সাবরাং গুচ্ছগ্রাম হতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ঘাতক দলের অন্যতম সদস্য সাবরাং ডেইল পাড়ার আব্দুল্লাহ মেম্বার ওরফে খুলু মেম্বারের পুত্র শাকের ডাকাতকে আটক করে। পরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের নিকট সোর্পদ করা হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আব্দুল আলিম জনতার সহায়তায় ঘাতক দলের সদস্য শাকের ডাকাতকে জনতার সহায়তায় আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এদিকে রাত ৯টায় সাবরাং নয়াপাড়া স্কুল মাঠে সন্ত্রাসী দলের হাতে নিহত সাবরাং কচুবনিয়ার মোহাম্মদ আলীর পুত্র ও সাবরাং ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান গনি সিকদার (৪০) কে পোস্ট মর্টেমের পর নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, (শুক্রবার) সকাল ৬টারদিকে উপজেলার সাবরাং কচুবনিয়ার মোহাম্মদ আলীর পুত্র ও সাবরাং ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান গনি সিকদার (৪০) কে নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে ঘরের সামনে সুপারী বাগানে ডেইল পাড়ার আব্দুল্লাহ মেম্বার ওরফে খুলু মেম্বারের পুত্র শাকের ডাকাত গং এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে বীরদর্পে চলে যায়। পরে গুলির শব্দ শুনে পরিবার ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে ওসমান গণি সিকদারকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তখন গুলিবিদ্ধ ওসমানকে দ্রæত উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আইয়ুব হোসেন তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওসমান সিকদারের মৃতদেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।
প্রসঙ্গত,গত ২৬ডিসেম্বর একটি টমটম চুরির সালিশে শাকের গং দোষী সাব্যস্থ হয় এবং ওসমান এসব কাজের তীব্র প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক কারবারী ও ত্রাস আব্দুল্লাহ মেম্বারের পুত্র শাকের ডাকাত এবং কাটাবনিয়ার মোহাম্মদ হাশিমের পুত্র কেফায়েত উল্লাহ গং ওসমানের হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে। যা টেকনাফ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়েই শাকের ডাকাত গং ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান গণি সিকদারকে গুলিবর্ষণ করে খুন করে বলে স্থানীয়দের দাবী। ##
