ইয়াবার বদৌলতে কর্মচারী থেকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়নাল

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

মুহাম্মদ হানিফ আজাদ : স্টোরের কর্মচারী থেকে ২ বছরের ব্যবধানে কোটিপতির খাতায় নাম লেখানো চিস্থিত ইয়াবা ব্যবসায়ী জয়নাল এখন কক্সবাজার কলাতলীতে অবস্থিত বিলাশবহুল হোটেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। গ্রামের বাড়ীতে কোটি টাকা ব্যায়ে বাড়ী নির্মানের পাশাপাশি নামে বেনামে তার রয়েছে অঢেল সম্পদ। ইয়াবা নিয়ে গ্রেফতার হওয়ার পরও থামেনি তার ইয়াবা বানিজ্য, এখন হোটেল ব্যবসার আড়ালেই চলছে তার ইয়াবা ব্যবসা। জানা যায়, উখিয়ার পাশ্ববর্তী নাইক্ষৎছড়ি উপজেলার ঘুমধুম এলাকার জয়নাল আবেদিন। ঘুমধুম সীমান্তে ইয়াবা ব্যবসা করে গত কয়েক বছরে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। অথচ বছর দুয়েক আগেও সে উখিয়ার হেলাল স্টোরে চাকরি করতো। এরপর উখিয়ার জাকের মার্কেটে একটি দোকান দিয়ে দেউলিয়া হয়েছিল। কিন্ত ইয়াবা বানিজ্যে জড়িয়ে পড়ার পর তাকে আর পিছনে ফিরে থাকাতে হয়নি। ইয়াবার বদৌলতে প্রায় শুন্য থেকেই কোটিপতির খাতায় নাম লেখায় জয়নাল। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ম্যানেজের পাশাপাশি কতিপয় সীমান্তরক্ষী ও পুলিশকে মাসোয়ারা দিয়েই ছলছে তার অবৈধ কারবার। সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকার ফলে ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে নিতে তাকে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। কিন্ত স্থানীয়দের ম্যানেজ করে ব্যবসা চালিয়ে গেলেও চট্টগ্রামে সে ইয়াবা সহ ধরা পড়ে। এ মামলার জেলে গেলেও কিছুদিন পর জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো জড়িয়ে পড়ে ইয়াবা বানিজ্যে। গ্রেফতার হওয়ার পর আর কোন রিস্ক নেয়নি সে। কলাতলীতে ওয়ার্ল্ড বীচ রিসোর্স এর মালিকানা কিনে তাতে বসেই চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা বানিজ্য। এদিকে গ্রামের বাড়ী ঘুমধুমে চলছে কোটি টাকা ব্যায়ে বহুতল ভবন নির্মানের কাজ। এসব ব্যাপারে জয়নাল জানান, আমরা পাঁচ ভাই এনজিওতে চাকরি করি পাশাপাশি বাবার জায়গা জমি বিক্রি করে ২৪ লক্ষ টাকা পেয়েছি, সেই টাকা দিয়ে বাড়ি করেছি তাতে দোষের কিছু দেখছি না। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো ট্রলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। ইয়াবার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান আমাদের। যতবড় গডফাদারই হোক না কেন ইয়াবা ব্যবসা করে পার পাবেনা।