বার্তা পরিবেশক : গত ২এপ্রিল জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ ও দৈনিক আজকের কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত “ হাইকোর্টের রায় অমান্য করে এখনো বহাল তবিয়তে অবৈধ এডহক কমিটি ; রঙ্গিখালী খাদিজাতুল কোবরা (রঃ) মহিলা দাখিল মাদ্রাসা সুপারের লাগামহীন দূর্নীতি” শীর্ষক সংবাদটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা স্থানীয় কথিত স্বার্থান্বেষী প্রভাবশালীদের ব্যবহার করে দূর্নীতিবাজের বরপুত্র ও পরীক্ষা কেলেংকারীর খলনায়ক জনৈক কামাল হোছাইনের ইন্দনে অত্র নারী শিক্ষা কেন্দ্র নিয়ে অপপ্রচারের বহিঃপ্রকাশ।
সর্বসাধারণের সদয় অবগতির জন্য মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানাতে চায়, এতদ্বাঞ্চলের নারী শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও ননএমপিওভূক্ত এই মাদ্রাসায় বিনাবেতনে ছাত্রীদের অধ্যয়নের সুযোগ দিয়ে আসছে। মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের আলোকে সংবাদে উল্লেখিত বিগত কমিটির সভাপতি হিসেবে সিরাজুল মনোয়ার ছিলেন না। এই মাদ্রাসার উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্থ করতে চাষাবাদের জমি লাগিয়তের টাকা, এতিমখানার টাকা, চিংড়ি প্রজেক্ট লাগিয়তের টাকা, দেশী-বিদেশী চাঁদা, গাজী পাহাড়ের বাগান বিক্রির টাকা, মাদ্রাসার গাছ বিক্রির টাকা, কোরবানের পশুর চামড়া বিক্রির টাকা আতœসাতকারী, মাদ্রাসার জমি জবরদখলকারী স্থানীয় চিহ্নিত স্বার্থবাদী কুচক্রী মহল কর্তৃক অবৈধ পন্থায় সিরাজুল মনোয়ার সাহেবকে ভূঁয়া সভাপতি বানিয়ে বর্তমান সুপার ফখরুল ইসলাম ফারুকীকে বহিস্কার ও সহকারী শিক্ষিকা বিলকিস আরাকে অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার তথ্য একেবারে সাজানো ও ভিত্তিহীন।
গত ২০১৫-২০১৭ইং সেশনের জন্য মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুস শুক্কুর মেম্বার। তৎকালীন শিক্ষক সংকট সমাধানের জন্য মাদ্রাসার বিধিমোতাবেক সহকারী মৌলভী হিসেবে মৌলানা নুরুল কবিরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৮ইং সালে অত্র মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য মাশিবো ৪ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি অনুমোদন দেন। তৎকালীন কমিটি বর্তমান এডহক কমিটিকে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় হিসাবপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেন। বর্তমান এডহক কমিটির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দিবস সমুহ পালনের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী আলহাজ¦ ড. গাজী কামরুল ইসলাম প্রচলিত বার্ষিক সভা ও জলসার আয়োজন করে স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। যারা এই মাদ্রাসার জন্য এত দরদ দেখাচ্ছে তারা কোন সময়ে মাদ্রাসা ফান্ডে একটি টাকাও জমাতে পারেনি। বর্তমান এডহক কমিটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে বার্ষিক জলসা সম্পন্ন করার পরও এখন মাদ্রাসার একাউন্টে ৯ লক্ষ ৭ হাজার টাকা জমা রেখেছে। উক্ত টাকা হতে ব্যাংকিং লেন-দেনের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের ৩মাসের বেতন পরিশোধ করেছে।
বোর্ড কর্তক অনুমোদিত ও নবগঠিত এডহক কমিটি গঠিত হওয়ার পর সংকটাপন্ন এই মাদ্রাসাটি আসন্ন বিপদ থেকে রক্ষা পেয়ে এখন সুষ্ঠুভাবে মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে দেখে স্থানীয় সচেতনমহল ও জনসাধারণ সাধুবাদ জানিয়ে এগিয়ে আসছে। তা দেখে ষড়যন্ত্র ও আতœসাতকারী চক্রের মাথা ঘুরে যাওয়ায় নিরুপায় হয়ে ঐতিহ্যবাহী এই মাদ্রাসার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য ভিত্তিহীন সংবাদের আশ্রয় নিয়েছে। আমরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ উক্ত ভিত্তিহীন,বিভ্রান্তিমূলক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এলাকার একমাত্র নারী দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্রকে ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বাঁচিয়ে রাখতে এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি উদ্ধাত্ত আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
সভাপতি
নুরুল হুদা মেম্বার
এডহক কমিটি,
রঙ্গিখালী খাদিজাতুল কোবরা (রঃ) মহিলা দাখিল মাদ্রাসা।
