পালংখালীতে রোহিঙ্গা টোকাই মুনিয়ার অপকর্মে অতিষ্ট মানুষ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক : নুনিয়া প্রকাশ টোকাই নুনিয়া জন্মগত সৌদি হলেও তার আসল পরিচয় সে একজন পুরাতন রোহিঙ্গা। তার পূর্বপুরুষ সবাই মায়ানমারের নাগরিক। সে সৌদিতে থাকাকালীন মাদকসেবনসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড করার কারণে সৌদি সরকার তাকে সে দেশ থেকে বিতাড়িত করে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষানা করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। তারপর থেকে সে পালংখালী এসে বসবাস করছে।এদেশে এসেও নিয়মিত মাদকসেবনসহ তার অপরাধ কর্মকাণ্ড থেমে নেই। তার বেপরোয়া চলাফেরাসহ প্রতিনিয়ত সংগঠিত করছে নানা অপরাধ। এলাকায় তৈরী করেছে একটি কিশোর গ্যাং। এই কিশোর তার নেতৃত্বে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি, মাদক কারবার,ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স বলেও পরিচয় দিয়ে বেড়ায়।

স্থানীয়রা জানান,নুনিয়া পালংখালীতে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয় নিরীহ মানুষ সহ পাইকারি ও খুচরা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

রবিবার (২২ আগস্ট) পালংখালী বাজারের আলম এর কুলিংকর্ণার দোকান থেকে ১ লক্ষ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে বলে দোকান মালিক আলম সহ বাজার কমিটির সভাপতি কামাল উদ্দিন সওদাগর এবং স্হানীয় মেম্বার নুরুল হক জানান। টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জামালের পুত্র হাবিব এবং তার এক সহযোগী রয়েছে বলে জানান।

তবে এই বিষয়ে ভিকটিম মাং মাং স্বর্নকারের মালিক বাথিং এখন থানায় অভিযোগ করেনি বলে জানান।

নুনিয়া সে এর আগেও অনেকের কাছ টাকা ছিনতাই করেছে। নুনিয়া এইসব টাকা পুরোটাই মাদক সেবনে খরচ করে।

স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা জানান,মুনিয়া এমন কোন ইয়াবা কারবারী নাই সে চিনেনা,মাদকসেবনকারীরা দিনে কয়টা ইয়াবা সেবন করে সে চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারে,সে বার্মার নাগরিক হলেও স্হানীয় একটি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অপরাধ কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে।

স্হানীয় সচেতন মহলের দাবি,এই মাদকাসক্ত টোকাই নুনিয়াকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তিসহ তাকে বাংলাদেশ থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ গোষানা করা হোক।

স্থানীয় চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন এই সফর নুনিয়া কে কিছু দিন আগে থানায় সোপর্দ করেছিলাম কিছু দিন জেল থাকার পরে আবারও বেপরোয়া হয়েছে তাহাকে সহযোগিতাকারী থাকার কারণে বেশি দিন কারাগারে থাকতে হয় না।