টেকনাফ প্রতিনিধি::
টেকনাফে জমিজমা বিরোধের জের ধরে প্রবাসীর বসত বাড়ী অগ্নি সংযোগ ও লুটপাট করেছে প্রতিপক্ষরা। এঘটনায় বাড়ীর গৃহকত্রীসহ অন্যান্যদের প্রতিনিয়ত প্রান নাশের হুমকী দিয়ে আসছে সন্ত্রাসী প্রতিপক্ষ ।
ঘটনাটি ঘটেছে ১৫ মে ভোর রাত টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের হলবনিয়া গ্রামের প্রবাসী নুরুল ইসলামের বাড়ীতে।
এব্যাপারে গৃহকত্রী রফিদা বেগম বাদী হয়ে ৬ জন নামীয় ও অপর ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
এঘটনায় শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী মুলহোতা মোঃ ইলিয়াছকে আটক করেছে পুলিশ।
এজাহারসুত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে হলবনিয়া গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের পুত্র মোঃ ইলিয়াছ হেলালীর সাথে প্রবাসী নুরুল ইসলামের স্ত্রী রফিদা বেগমের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে। এর জের ধরে হেলালী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা প্রতিনিয়ত প্রান নাশের হুমকী ধমকি দিয়ে আসছে। গত ৫ মে দিবাগত রাত ১ টার দিকে হেলালীর নেতৃত্বে বসত বাড়ী ভাংচুর ও গাছপালা কর্তন করে। এসময় গৃহকর্ত্রী রফিদা বাধা প্রদান করিলে তাকেসহ ছেলে সাহাব উদ্দীন (১৪), রিয়াজ উদ্দীন (১২), মেয়ে শরীফা বেগম (১০) কে মারধর এবং ওই গৃহকর্ত্রী কে শ্লীলতাহানীর করে।
এসময় হেলালীর সাঙ্গপাঙ্গরা গৃহকর্ত্রী রফিদার ১ ভরি স্বর্ন, নগদ ৫০ হাজার টাকা ১২ হাজার টাকা মুল্যের সামসং মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সব মিলে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত করে। চিহ্নিত এই সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার সময় হাঁকাবকা এবং এ ঘটনার ব্যাপারে মামলা করলে প্রাননাশের হুমকী প্রদান করে।
পরে রফিদার শৌর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে ভর্তি করায়।
স্তানীয় গণ্যমাম্য ব্যাক্তিরা আপোষ মিমংসা করতে চাইলেও সন্ত্রাসীরা সাড়া দেয়নি। বরং ১৫ মে ভোর রাত ৪ টার দিকে হেলালীর নেতৃত্বে বাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বসত ঘরটি সম্পুর্ন ভস্মিভুত হয়ে যায়।
এঘটনায় মোঃ ইলিয়াছ হেলালী, রোজিনা আক্তার, জসিম উদ্দীন, মোঃ রহিম, লুৎফর রহমান, মোঃ তাহের বার্মাইয়াসহ আরো ৫/৬ জনকে আসামী করে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং হেলালীকে আটক করেছে পুলিশ।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাইন উদ্দীন এ ঘটনায় হেলালীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান।
