লেদায় রোহিঙ্গা ডাকাত দলের সহযোগী রুবেল বাহিনীর হাতে অপহৃত হওয়া ব্যক্তি প্রাণনাশের হুমকিতে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : টেকনাফের পশ্চিম লেদায় রোহিঙ্গা ডাকাত দলের সহযোগী রুবেল বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়ে বেধড়ক মারধরের শিকার এবং টাকা খোয়া যাওয়া এক ব্যক্তি এখনো অব্যাহত প্রাণনাশের হুমকিতে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভূক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার হ্নীলা ইউপির পশ্চিম লেদা নুরালী পাড়ার মৃত আব্দুস সালামের পুত্র আব্দুল কাদের (৩০) গরু ক্রয় বাবদ ৮৩হাজার টাকা দিতে যাওয়ার পথে রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র ডাকাত গ্রæপের সহযোগী স্থানীয় আব্দুল গফুরের পুত্র রুবেল (২০) ও মোঃ জমিল প্রকাশ কল্লুর পুত্র রবিউল হাসান প্রকাশ রবুর নেতৃত্বে ৬/৭জন অজ্ঞাত রোহিঙ্গা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সেখানে মুখে কিল-ঘুঁষি ও মাথায় বন্দুকের বাট নিয়ে মেরে রক্তাক্ত করে এবং শরীরের সাথে থাকা বন্দি অবস্থায় ৮৩হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। প্রাণে বাঁচতে চাইলে আরো ৫লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেন। এই বিষয়টি স্থানীয় মহিলা মেম্বার অবগত হয়ে স্বামীকে জানালে আবছার কামাল ছিদ্দিকী লোকজন নিয়ে রাত ৮টারদিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এরপর কাদের স্থানীয় ডাক্তারের নিকট চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ হলেও রুবেল কাদেরকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

গত ১৬ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৫টারদিকে এই বাহিনী অপর এতজনকে অপহরণের চেষ্টা চালালেও পরে পৃুলিশী সহায়তায় কোন রকম রেহাই পান। ১৭ এপ্রিল রাত ৯টারদিকে এই রুবেল অজ্ঞাত ৩জন দূবৃর্ত্ত নিয়ে স্বশস্ত্র অবস্থায় কাদেরের বাড়ির পাশে বাঁশ বাগানে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ১রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে চলে যায়।

উল্লেখ্য, এই রুবেল রোহিঙ্গা অপরাধীদের সাথে বিভিন্ন অপরাধ করে তার বাড়ি এসে হৈ হুল্লাস করে এবং প্রায় সময়ে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে উল্লাস করে। কাদের এই অপকর্মের প্রতিবাদ করায় রুবেল ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। তাই রুবেলকে ধরে নিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের পরও আরো চাঁদা দাবী এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে।

এই ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনীর একাধিক বিশ^স্থ সুত্রের দাবী,রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপরাধীদের দমনে আইন-শৃংখলা বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তাদের দ্রæত আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় জনসাধারণ এবং সাধারণ রোহিঙ্গাদের সহায়তাও দরকার বলে মন্তব্য করেন।

এখন কাদের প্রাণনাশের হুমকিতে নিরাপত্তাহীন রয়েছে বলে দাবী করেন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারী আইন-শৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ ও সহায়তা কামনা করেন। ###