গোয়েন্দা প্রতিবেদনে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলাকে মাদক কারবারের বিশেষ জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। টেকনাফে সক্রিয়দের মধ্যে রয়েছেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার মো. নুর (বার্মাইয়া নুর), জাহেদ হোসেন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের এখলাছ মিয়ার ছেলে হারুন অর রশিদ, ২ নম্বর ওয়ার্ডের জহির আহমেদের ছেলে ফয়েজ আহমদ, শাহপরীর দ্বীপের জিয়াবুল হক (জিয়া), সাবরাংয়ের জাফর আলম, জালিয়াপাড়ার দিদারুল আলম, হ্নীলা বাজার পাড়ার সামসু মিয়াসহ আরও কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ও তাদের স্বজন। কক্সবাজার জেলায়ও সক্রিয় রয়েছেন ঝিলংজা ইউনিয়নের সামছুন্নাহার, উত্তর টেকপাড়ার মো. হাসান, উত্তর নুনিয়ারছড়ার জহুরুল ইসলাম (ফারুক), নুরুল আলম (বাবু), আবুল কালাম, সৈয়দ আলম, বশির আহমদ, আবদুল গফুর, রাশেদুল ইসলাম, আবু জাফর আনসারী, শাহজাহান আনসারী, রশিদ আনসারী, মিয়ানমারের নাগরিক আবু নফর (বার্মাইয়া নফর), মো. ইমাম শরীফ, মঞ্জুর আলম (শিয়াল মঞ্জুর), হারুনুর রশিদ লিটন, আবদুর রহমান প্রমুখ।
কক্সবাজারের পরই মাদক কারবারের অন্যতম জেলা কুমিল্লা। সীমান্তপথ ব্যবহার করে গাঁজা ও ফেনসিডিল পাচার হয়। কুমিল্লায় সক্রিয়দের মধ্যে রয়েছেন ধর্মপুর কলেজপাড়ার আশিক (বোমা আশিক), আবুল কাশেম, মথুরাপুরের মিজান, নুর ইসলাম (নুরু মিয়া), মো. কাশেম, মো. শফিক মিয়া, হুমায়ুন, বিল্লাল, মো. বাপ্পি, সুজন মিয়া, মোতালেব, মো. ইব্রাহিম খলিল (সজল), মো. সুমন আহম্মেদ, মো. মামুন, সিরাজ মিয়া, মো. ইকবাল হোসেন। রাজশাহীতে গডফাদারের মধ্যে রয়েছেন গোদাগাড়ীর শিস মোহাম্মদ, টিপু, মো. তোফাজ্জল হোসেন, নওশাদ আলী, আবদুল্লাহ, জিয়ারুল ইসলাম, সেতাবুর রহমান বাবু, মোসা. আজিজা বেগম, মীরগঞ্জের মো. ইদ্রিস মোল্লা, ইয়াদুল (ইদুল্লা), আবদুল আলিম (কালু), মো. মিলন। সিলেট বিভাগের মাদক নিয়ন্ত্রণ ৩৪ গডফাদারের হাতে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের আবদুল মান্নান, জকিগঞ্জের আবদুল কাদির, মো. মুকিত, তাজউদ্দিন তাজুল মেম্বার, জহিরুল হক, আসুক আহমেদ আশিক, শরীফ আহমেদ তফাদার, জয়নার উদ্দিন। হবিগঞ্জের মাধবপুর সুয়াগাঁওয়ের ফুয়াদ হাসান সাকিব, ধর্মঘরের খোকন মিয়া, মামুন মিয়া। কিছুদিন আগে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন সাকিব।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সক্রিয়, পেশাদার এবং গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেই বড় বড় মাদকের চালান নিয়মিতভাবে আটক হচ্ছে এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের আগেই প্রতিহত করা সম্ভব হচ্ছে।