রেজু খাল চেকপোস্টে দুই যুবকের পেট থেকে বের হলো ৫৭০০ পিস ই য়া বা

লেখক: নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ টুডে
প্রকাশ: ৩ দিন আগে
Screenshot

কক্সবাজার বিজিবি’র টহলদলের তল্লাশি কার্যক্রম ও পৃথক পৃথক অভিযানে ০২ জন আসামীসহ ৫,৭০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট আটক*

কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর অধিনস্থ রেজুখাল চেকপোস্টের তল্লাশিদল কর্তৃক পৃথক পৃথক ০২ টি মাদকবিরোধী অভিযানে ৫,৭০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ ০২ জন আসামী আটক করা হয়।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

*১ম অভিযানঃ* অদ্য ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৩০০ ঘটিকায় কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ রেজুখাল চেকপোস্ট এর তল্লাশিদল কর্তৃক টেকনাফ হতে কক্সবাজারগামী একটি সিএনজি তল্লাশী করে সন্দেহভাজন ০১ জন যাত্রী হামিদ (২৮), পিতাঃ আব্দুল গফুর, গ্রামঃ নোয়াপাড়া ৫ নং ওয়ার্ড, থানাঃ টেকনাফ, জেলাঃ কক্সবাজার’কে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার পেটের মধ্যে ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার পেটের ভিতর হতে পায়ুপথের মাধ্যমে ৩,৭৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক পাচারে ব্যবহৃত ০১টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

*২য় অভিযানঃ* এছাড়াও একইদিনে আনুমানিক ১৩০০ ঘটিকায় টেকনাফ হতে কক্সবাজারগামী আরও একটি সিএনজি তল্লাশী করে সন্দেহভাজন ০১ জন রোহিঙ্গা যাত্রী- ফাহিম (২১), পিতাঃ মৃত: আব্দুস সালাম, গ্রামঃ মুচুনি শালবাগান, A-5 ক্যাম্প, থানাঃ টেকনাফ, জেলাঃ কক্সবাজার’কে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার পেটের মধ্যে ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার পেটের ভিতর হতে পায়ুপথের মাধ্যমে ১,৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক পাচারে ব্যবহৃত ০১ টি বাটন মোবাইল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য, আটককৃত আসামীদের বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট ও অন্যান্য মালামালসহ প্রচলিত আইন অনুযায়ী থানায় মামলা দায়ের করতঃ পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।

অধিনায়ক বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারাতেই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকসহ নানা অবৈধ কার্যক্রম দমনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে কক্সবাজারবাসীর মধ্যে আস্থা ও স্বস্তি ফিরে এসেছে।