বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় বসত-ভিটার সীমানা বিরোধের জেরধরে চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী গং বসত-ভিটার ঘেরা-বেড়া ভাংচুর ও গাছপালা কেটে দিয়েছে। তাদের সংঘবদ্ধ হামলায় ৭জন নারী-পুরুষ আহত হয়েছে। এই ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, ২২ এপ্রিল (বুধবার) সকালে হ্নীলা দক্ষিণ-পশ্চিম ফুলের ডেইল এলাকায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পুরান রাস্তা বাদ দিয়ে মৃত সোলতান আহমদের পুত্র ছৈয়দ হোছাইন মোজাহিদের বসত-ভিটার উপর দিয়ে পাশর্^বর্তী মোঃ বুজর মেহের এর পুত্র ইয়াবা কারবারী জোবায়ের (২৮) নতুন রাস্তা করার দাবী জানালে দুই পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হলে তিনি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আগামীকাল আমিন এনে উভয়পক্ষের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়ে চলে আসেন।
জুবায়ের গং স্থানীয় চেয়ারম্যানের এই আহবান অগ্রাহ্য করে দুপুর আড়াই টারদিকে দা, লাঠি-সোটা,লোহার রড নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে জুবায়ের, মৃত আলী হোছন মিয়াজির পুত্র আব্দুল হাকিম, আব্দুল হাকিমের পুত্র আব্দুল হাই, ওসমান, হোয়াইক্যং বাজারের মৃত ইউছুপ আলীর পুত্র মোঃ তারেক, বুজর মেহের এর স্ত্রী, দুই কন্যাসহ একটি দল ছৈয়দ হোছাইনের বসত-ভিটার গাছ-পালা কেটে ঘেরা-বেড়া ভাংচুর করে। পার্শ্ববর্তী ছৈয়দ হোছনেরা স্বজনেরা বাঁধা দিতে গেলে এলোপাতাড়ি দার কোপ ও হামলা চালিয়ে ছৈয়দ হোছাইন, রবিউল মোবাশ্বের, আইয়ুব, সেলিনা আক্তার, সাইফুল ও আজিজা খাতুনসহ ৭জনকে মেরে রক্তাক্ত এবং আহত করে। তাদের দ্রæত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হ্নীলা ষ্টেশন এবং টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর আহতদের মধ্যে রবিউল মোবাশ্বের ও আইয়ুবের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
সন্ধ্যায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এই বিষয়ে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, এই ঘটনার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। আগামী কাল আমিন এনে উভয়পক্ষের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে চলে আসি। পরে বিকালে শুনি জোবায়ের গং হামলা করে ছৈয়দ হোছন গংয়ের নারী-পুরুষদের রক্তাক্ত ও আহত করে।
এদিকে সুশীল সমাজ মনে করেন পারিবারিক তুচ্ছ বিষয়ে এই ধরনের রক্তাক্ত করার মতো হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরী। ###
