বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফের হ্নীলা ইউপিতে অপরাধ প্রবণতা বেসামাল হওয়ায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয় সচেতন মহল । বিশেষ করে হ্নীলা ইউপির লেদা ,আলীখালী ,মুছনী, নয়াপাড়া, আলী আকবর মেম্বারের রাস্তার মাথা,নেচারপার্ক এলাকাসহ আশপাশের এলাকাগুলো একেবারে রোহিঙ্গা ঘেষা হওয়াতে এসব এলাকায় অতিরিক্ত বেড়ে গেছে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের আনাগোনা ও অপরাধ প্রবণতা।এসব এলাকায় প্রতিনিয়ত অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনা যায় বলে জানান স্থানীয়রা । এমনকি অনেক সময় ডাকাত ও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ভয়ে স্থানীয়রা রাত জেগে পাহারায় থেকে নির্ঘুম রাত কাটিয়ে এমন অনেক নজির রয়েছে। ডাকাত ও রোহিঙ্গা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। না ঘুমিয়ে রাত কাটাচ্ছে হ্নীলা ইউনিয়নের অনেক জনসাধারণ । বিভিন্ন সময় এইসব জায়গায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে । অটোরিক্সা , সিএনজি , মোটর সাইকেল , প্রাইভেট কার , বাসের চালকসহ যাত্রীরা ডাকাতির কবলে পড়ে সর্বত্র হারিয়েছে এমন অসংখ্য নজির রয়েছে । সন্ধ্যা হলেই এসব এলাকাতে সাধারণ মানুষ আতংকে চলাচল করে বলে জানান,পথচারী, বিভিন্ন গাড়ির চালক ও যাত্রীরা । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন গাড়ি চালক জানান ,তারা গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় অনেকবার ডাকাক দলের কবলে পড়েছে । ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে তাদেরকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা,মোবাইল ফোনসহ অনেক মালামাল কেড়ে নেয় । সব দেওয়ার পরেও অস্ত্রধারী ডাকাতরা তাদের মারধর করে গুরুতর আহত করে ছেড়ে দেয় বলেও জানান তারা । গত ১৯ ই জুন মোহাম্মদ নুুর নামে এক লোক গুলি করে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে সন্ত্রাসীরা ।
কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক মাহমুদ রনি বলেন,অপরাধ দমনে হ্নীলাতে একটি পুলিশ ফাঁড়ি খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে ।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান,টেকনাফ উপজেলার মধ্যে হ্নীলা ইউনিয়নে অতিরিক্ত সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বেড়ে গেছে ।তিনি নিজেও আতংকে চলাচল করছে বলে জানান। থানা একটু দুরে হওয়াতে সন্ত্রাসীরা অপরাধ করতে সাহস বেশি পাচ্ছে এবং পুলিশ আসতে আসতে অস্ত্রধারীরা যেকোনো অপরাধ করে পালিয়ে যেতেও সক্ষম হয় । সন্ত্রাসীদের দমনে হ্নীলাতে পুলিশ ফাঁড়ির বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি ।
