ভূয়াঁ এফবি “অপরাধীর বিচার চাই”এর মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্যে লেদার ইসমাঈল মিস্ত্রীর প্রতিবাদ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

বার্তা পরিবেশক : গত ১০জুলাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুখোশধারী মাদক কারবারী সিন্ডিকেট সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত ভূয়াঁ এফবি “অপরাধীর বিচার চাই”এ প্রকাশিত “নুরুল হুদা মেম্বারের সহযোগী ইয়াবা জাহাঙ্গীর আলম এবং ইসমাইল মিস্ত্রি” শীর্ষক তথ্যটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা এখনো বিদ্যমান মাদক কারবারীদের রক্ষা করতে সত্যের সাথে মিথ্যার মিশ্রন ঘটিয়ে সতীনের ছেলেদের দিয়ে সাপ ধরার ব্যর্থ চেষ্টা ছাড়া কিছুই না। আপনারা অনেকের হাতে অনেক বিদ্যা,যোগ্যতা এবং সামর্থ রয়েছে। কিন্তু আমার মত দরিদ্র পরিবারের স্বাক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন অভাগার পেশা রাজমিস্ত্রী ছাড়া কিছুই না। আপনাদের দোয়ায় আমি টেকনাফের বিভিন্ন স্থানের চোখ জুড়ানো সুরম্য দালান নির্মাণের মিস্ত্রী কিন্তু সেসবের মালিক না। সততা, ধ্যান-ধারনায় এই পেশায় জীবিকা নির্বাহ করতে গিয়েই ক্ষণিক সন্দেহ আর বিড়ম্বনার শিকার হলেও মহান আল্লাহ-তালা সত্যের জয় অব্যাহত রেখে আমাকে এখনো আপনাদের সেবায় নিয়োজিত রেখেছে।

এলাকায় বসবাস করতে গেলে মান-অভিমান, মতবিরোধ, দ্বন্দ আর ঝগড়া বিবাদ থাকবেই। তাই বলেই এই সার্বজনীন পেশার মানুষটি আপনার পছন্দের ব্যক্তি ছাড়া অপছন্দের কারো কাজ করতে পারবেনা এমন তো কোন বিধান নেই। আপনারা যেমন এলাকায় বিভিন্নভাবে স্বঘোষিত প্রভাবশালী দাবী করে আসছে তেমনি এলাকায় নুরুল হুদা মেম্বারসহ অনেক প্রভাবশালী রয়েছেন। যাদের স্থাপনা বা ঠিকাদারী কাজের জন্য আমার মত দিন-মজুর মিস্ত্রীদের কাজ করতে হয়। আমি ভাল না খারাপ তা আপনার বিষয়। তাই বলেই আমার মত খেটে খাওয়া দিন মজুরদের ভিলেজ পলিটিক্সের ট্রাম্পকার্ড হিসেবে ব্যবহার কতটুকু যৌক্তিক? আমি ৩০-৩৫কোটি টাকার মালিক বলে দাবী করা হয়েছে। আমার যদি মাত্র ৫লক্ষ টাকা মত সম্পদ ও নগদ টাকা থাকে তা তদন্ত করে সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য উক্ত সংবাদদাতার প্রতি বিনয় আহবান জানাচ্ছি। অন্যথায় কারো চরিত্র হনন করে এবং প্রশাসনকে বিভ্রান্তকারী গাঁজাখোরী গল্প সাজাতে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

অপর একটি তথ্যে উল্লেখ্য করেছেন ইয়াবা ব্যবসা,সন্ত্রাস,ডাকাতি আর রোহিঙ্গা শিশুদের জিম্মী করে টাকা আদায় করা হচ্ছে। বর্তমানে লেদা ক্যাম্প ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা বাহিনী, বিজিবি টহল, পুলিশী টহল, আনসার সদস্যদের অবস্থান, ভলান্টিয়ারদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে। এত কিছু পরও উক্ত ধরনের তথ্য কারো চরিত্র হরণের বৃথা চেষ্টা ছাড়া কিছুই হতে পারেনা। কারো পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ নিয়ে পুরো এলাকাবাসীকে বলীর পাঁঠা বানানো সাজেনা। সুতরাং আমি উক্ত ভূয়াঁ এফবিতে প্রকাশিত উদ্দেশ্য প্রণোদিত, বানোয়াট, ভিত্তিহীন তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী :
মোহাম্মদ ইসমাঈল মিস্ত্রী
পিতা- আব্দুল জলিল
পশ্চিম লেদা, হ্নীলা, টেকনাফ।