“থাটি ফাস্ট নাইট” উদযাপন উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় ধরনের চালান ঢুকার আশংখা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী :
২০১৮ নতুন সালকে বরণ এবং “থাটি ফাস্ট নাইট” উদযাপন উপলক্ষে স্থল ও নৌপথে মিয়ানমার থেকে মাদকের রাজা নামে খ্যাত ইয়াবার বড় ধরনের চালান সীমান্তের বিভিন্ন প্রয়েন্ট দিয়ে ঢুকার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ইয়াবা চোরাকারবারীরা। এ উপলক্ষে মিয়ানমার সীমান্তে মংডুসহ আকিয়াবে ইয়াবার বড় ধরনের চালান মওজুদ হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য মতে ২০১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর “থার্টি ফাস্ট নাইট” উদযাপন উপলক্ষে ইয়াবার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদা পূরণে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের দুদেশের সীমান্ত কেন্দ্রিক শীর্ষ পর্যায়ের ইয়াবা চোরাকারবারীরা ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ইয়াবা পাচার এবং ঢুকার স্বার্থে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও সমস্যাকে ওরা জিঁয়ে রেখেছে। নাফ নদী ও সাগর পথে বিভিন্ন পয়েন্টে ইয়াবার চালান খালাস হবার পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সয়লাভ হয়ে যাবে। এমন আশংখা করছেন সমাজের বিশিষ্টজনেরা। অনুসন্ধানী রিপোটের প্রেক্ষিতে জানা যায়, থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে তালিকাভূক্ত পলাতক শীর্ষ ইয়াবা কারবারীরা ইতিপূর্বেই এলাকায় ফিরে এসেছে। এখন ওরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে। শাহপরীরদ্বীপ করিডোর এবং টেকনাফ স্থল বন্দর ব্যবহারকারী আমদানী পণ্য বোঝাই কার্গো বোট যোগে আকিয়াব থেকে ইয়াবার চালান ঢুকার আশংখা করছেন অনেকেই। কেননা ইতিপূর্বে স্থল বন্দর ত্যাগকারী কাটবোঝাই ট্রাকের আড়াল থেকে চট্টগ্রামের আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকদের হাতে বারংবার ইয়াবার চালান জব্দ হয়েছিল। তেমনিভাবে টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং এর কবির আহমদ ও আলোগুলা চিংড়ী প্রজেক্ট, নয়াপাড়া ৪নং স্লুসগেট সীমান্ত পয়েন্ট থেকেও সীমান্ত রক্ষী বিজিবি কর্তৃক ইয়াবার চালান জব্দ হয়েছিল। অনুরূপভাবে সেন্টমার্টিনদ্বীপের চীরাদ্বীয়া, দক্ষিণ পাড়া, সাবরাং কাটাবনিয়া, খুরের মূখ, মুন্ডার ডেইল ও মহেশখালীয়া পাড়ার উপকূলীয় মৎস্য ঘাট দিয়ে ইয়াবার বড় ধরনের চালান সাগর পথ মৎস্যবাহী ট্রলার যোগে আসার সম্ভবনা রয়েছে। সাগরের পানি শীতল হওয়ায় ইয়াবা কারবারীরা এ ৩ মাসকে ইয়াবা পাচারের নিরাপদ মনে করছেন। সম্প্রতি টেকনাফ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদর দপ্তরে মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরন অনুষ্ঠানে প্রেস বিলিজ অনুযায়ী ২০১৭ সেপ্টম্বর হতে নভেম্বর এ ৩ মাসে প্রায় ১শত ২২ কোটি টাকার মূল্যের মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন পণ্যজব্দ করে। এর মধ্যে ইয়াবা সবার শীর্ষে রয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ও’সি) মোঃ মাঈনউদ্দিন বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস ও থার্টি ফাষ্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে আইন শৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ইতি মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।