হুমায়ূন রশিদ / হারুন সিকদার : টেকনাফের উত্তর সীমান্ত চাকমারকূল এলাকায় বিজিবির সাথে বন্দুক যুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মাদক বহনকারী নিহত হয়েছে। এসময় এক বিজিবি সদস্য আহত হলেও পুলিশ ঘটনাস্থল হতে ইয়াবা, কিরিচ, রামদা, লোহার রডসহ গুলিবিদ্ধ ২টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, ২২এপ্রিল ভোররাতে টেকনাফের উত্তর সীমান্ত চাকমারকূল সড়কের পূর্ব পার্শ্বে আবুল কাশেমের বাঁশ বাগান সংলগ্ন এলাকায় দেশে আশ্রয় নেওয়া থাইংখালী ১৩নং ক্যাম্পে অবস্থানরত শামসুল আলমের পুত্র সাইফুল ইসলাম (২২) ও ১৯নং ক্যাম্পে অবস্থানরত নবী হোছনের পুত্র ফারুক হোসেন (২৫) ইয়াবার চালান নিয়ে আসার সময় উখিয়া উপজেলার ৩৪ বিজিবি পালংখালী বিওপি বিজিবির একটি টহল দল তাদের থামতে বলে। এসময় মাদক বহনকারী রোহিঙ্গারা বিজিবির উপর চড়াও হলেও গোলাম কিবরিয়া নামে এক বিজিবি জওয়ান আহত হয়। বিজিবিও আত্নরক্ষার্থে পাল্টাগুলি বর্ষণ করে। গোলাগুলি থেমে গেলে সকাল ৬টারদিকে খবর পেয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি দীপংকর রায় সর্ঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ২০ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি রামদা, ১টি কিরিচ, ১টি লোহার রডসহ গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ২টি টেকনাফ থানা পুলিশ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি দীপংকর রায়, মাদক কারবারী-বিজিবি বন্দুক যুদ্ধ পরবর্তী উপরোক্ত মাদক, অস্ত্রাদিসহ গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন।
