টেকনাফে দোকান ভাংচুর ঘটনায় অভিযোগ : তদন্ত চলছে ধীরগতিতে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

মোঃ আশেকুল্লাহ ফারুকী : চাঁদাবাজদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে এক হতদরিদ্র ব্যক্তির দোকান লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডস্থ খোনকার পাড়া গ্রামে। মৃত ইয়াকুব আলীর পুত্র আব্দুস সালাম এর প্রতিকার চেয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে দুইজনকে অভিযুক্ত করে নিজে বাদী হয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগে জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের খোনকার পাড়া মৃত ইয়াকুব আলীর পুত্র আব্দুস সালাম এবং প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম ও মোঃ ইসলাম একই এলাকার অধিবাসী হয়। পাশাপাশি তারা সী-বীচ, মুনস্টার হ্যাচারীর মালিক এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি হন। হতদরিদ্র ব্যক্তি আব্দুস সালাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, টেকনাফ মৌজার আর,এস ৩৪৫ নং খতিয়ানের রেকডীয় ৬.১৫ একর জমির মালিক হন। উক্ত খাস জমি দীর্ঘ ৬০ বৎসর যাবৎ ভোগদখল করে আসছে। মেরিন ড্রাইব সড়ক নির্মিত হবার পর জমির দাম বৃর্দ্ধি পেলে উক্ত জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে অভিযুক্ত ভূমিদস্যুদের। ভোগদখলীয় জমিনের সীমানায় মুনস্টার হ্যাচারী প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হবার পর প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। উল্লেখ থাকে যে, ভোগদখলীয় জায়গার উপর আব্দুস সালাম গং ২লাখ টাকা ব্যায়ে একিিট মুদির দোকান স্থাপিত করে। জায়গা দখল ও মালিকানা দাবী নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসে এবং পরবর্তীতে ভূমিদস্যুরা তাদের দোকানে উন্নতি সহ্ন্য করতে না পেরে ভাড়াটিয়া চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দেয়। চাঁদাদিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ৩০ ডিসেম্বর/১৭ দোকান ও খামার ভাংচুর ও মালামাল লুট পার্ট করে। এর প্রতিকার চেয়ে অসহায় আব্দুস সালাম টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে অভিযোগটি টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ও’সি) কাছে পাঠান। থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য এ,্এস,আই সালেহ আহমদের কাছে ন্যাস্ত করেন। অভিযোগ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে দীর্ঘ ১মাস যাবৎ ঝুলিয়ে রাখে। এদিকে অভিযোগকারীকে তদন্ত আজ করব কাল করব বলে শুধু কালক্ষেপন করেই যাচ্ছে। ভূক্তভোগী অভিযোগকারী বিচারের আশায় থানার দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।