চকরিয়ায় বসতঘরে বহিরাগত লোকের আসা- যাওয়া প্রতিবাদ জেরে গৃহবধূকে পিটিয়ে ভেঙ্গে দিলো হাত-পা

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে এক বাড়িতে বহিরাগত লোকজনের আসা – যাওয়ার প্রতিবাদের জেরে পারভীন আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধুকে হাত- পা ভেঙ্গে ও কুপিয়ে মাথায় রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউনিয়নের ডেবলতলী এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা। ৷
আহতের পরিবার ও এলাকাবাসী অভিযোগে জানান, উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড ডেবলতলী এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের বাড়ীতে তার স্ত্রী মাবিয়া খাতুন,মেয়ে হালিমা বেগম,আর জাহান বেগম ও শাহাব উদ্দিন নামের এক পুত্র বসবাস করে তৎ মধ্যে ছেলে শাহাব উদ্দিন বাড়ীতে প্রায় সময় থাকে না।
কিন্তু তাদের বাড়ীতে প্রতিনিয়ত বহিরাগত লোকজন আসা- যাওয়া করে আসছে। এতে পার্শ্ববর্তী পরিবারের লোকজন তথা সেলিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার সমাজের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে হালিমা বেগম গং বিষয়টি নিয়ে কথা বলে এবং প্রতিবাদ করে। এরই জের ধরে গত ২৭ আগস্ট শনিবার বিকালে স্থানীয় হালিমা বেগম,আরজাহান বেগম তাদের স্বজন নাছির উদ্দীনের পুত্র মাহিন প্রকাশ শুক্কুর,হারুনের পুত্র মোঃ নাঈমসহ একদল দুবৃর্ত্ত হামলা চালিয়ে প্রতিবেশী সেলিম উদ্দীনের স্ত্রী পারভীন আক্তারকে বাড়ীর দরজায় গিয়ে টানাহেচড়া করে বাইরে নিয়ে পিঠিয়ে হাত ও পা ভেঙ্গে দিয়েছে এবং দা দিয়ে কুপিয়ে মাথায় রক্তাক্ত জখম করে।
আহত পারভীন আক্তারের স্বামী সেলিম উদ্দীন অভিযোগ করে বলেন, তার বাড়ির পাশ দিয়ে বহিরাগত লোকজন আসা যাওয়া করায় সমাজে অনৈতিক, অসামাজি কর্মকান্ড বাড়ছে। এসব কাজ থেকে তাদেরকে বিরত থাকার জন্য বাঁধা দেয়ার জের ধরে প্রতিপক্ষ গং বসতবাড়ির দরজায় গিয়ে আমার স্ত্রী পারভীন আক্তারকে এলোপাতাড়ি পিঠিয়ে হাত- পা ভেঙ্গে দিয়েছে এবং মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে।
এ সময় ঘটনাটি জানানো হলে হারবাং পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পুলিশের একটি টিম গিয়ে আহত পারভীন আক্তারকে উদ্ধার করে। পরে তাকে চকরিয়া ইউনিক হাসপাতালে ভর্তি করে অর্থোপেডিক ও সার্জারী বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে আহত পারভীন জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আহতের স্বামী সেলিম উদ্দিন দাবি করেন,
হামলার ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে মাহিন উদ্দিন প্রকাশ শুক্কুর। তিনি নোয়াখালী হাতিয়া এলাকার নাছির উদ্দীনের পুত্র। এখন হারবাংয়ে ওই গ্রামে ঘরজামাই হিসাবে রয়েছে। অপরজন হারুনের পুত্র মোঃ নাঈমের পূর্বের বাড়ী পেকুয়া উপজেলায় ছিল, ঘটনাকারীরা বহিরাগত।
ভুক্তভোগি পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা জানান, ইতোপূর্বেও জড়িতদের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডে বাঁধা দেয়ার কারনে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছে একাধিক মামলা করেছে। বর্তমানে তাদের অন্যায় ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে তাকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানির করার হুমকি- ধমকি দিচ্ছে। পাশাপাশি নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এ অবস্থায় আহত পারভীন আক্তারের পরিবার জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।###