টেকনাফ টুডে ডেস্ক : পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে উত্তর কোরিয়ার কোনো অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নাই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার রাজধানী ওয়াশিংটনে রক্ষণশীলদের এক সম্মেলনে ট্রাম্প একথা বলেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
“উত্তর কোরিয়ার অবিশ্বাস্য, উজ্জ্বল অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ আছে যদি তারা একটি চুক্তি করে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র রয়ে গেলে তাদের অর্থনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ নাই,” বলেছেন তিনি।
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ‘খুব, খুব শক্তিশালী’ মনে হচ্ছে বলে এ সময় মন্তব্য করেছেন তিনি।
গত সপ্তাহে ভিয়েতনামে ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শীর্ষ বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। ওই বৈঠকে পারমাণবিক কর্মসূচী ত্যাগ করার বিনিময়ে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এ বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হওয়ায় চুক্তি হয়নি।
তারা আলোচনা চালিয়ে নিয়ে যেতে চায় বলে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া, উভয়েই জানিয়েছে; কিন্তু পরবর্তী বৈঠক কখন হতে পারে সে বিষয়ে কিছু বলেনি।
‘খারাপ একটি চুক্তি’ করতে রাজি না হওয়ায় কিছু পর্যবেক্ষক ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন। অন্যরা কিমের নেতৃত্বের প্রশংসা করায় তার সমালোচনা করেছেন।
উত্তর কোরিয়ার কাছে ২০ থেকে ৬০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড আছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এসব বোমা দেশটি নিজেদের আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে স্থাপন করলে তা যুক্তরাষ্ট্রের মূলভূখণ্ডের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।
২০১৭ সালে পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণভাবে, যাচাইযোগ্যভাবে ও অপরিবর্তনীয় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন; অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এ মনোভাবকে ‘গুণ্ডার মতো’ অভিহিত করে নিন্দা করেছে পিয়ংইয়ং।
