ইয়াবা ব্যবসা করে হাজ্বী-গাজী ও জনপ্রতিনিধি কেউ রেহাই পাবেনা… জেলা পুলিশ সুপার

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

রিয়াজুল হাসান খোকন, বাহারছড়া :

ইয়াবা ব্যবসা করে হাজ্বী-গাজী ও কোনো জনপ্রতিনিধি রেহাই পাবেনা। আস্তে ধীরে তারা সবাই আইনের আওতায় আসবে। সমাজে অনেক মুখোশধারী ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে যারা উপর থেকে ভাল মানুষ সাজার চেষ্টা করে। কিন্তু চলমান মাদক বিরুধী অভিযানে তারা কেউ রেহাই পাবেনা। তাদের কালো মুখোশ উন্মোচন করা হবে। কোনো জনপ্রতিনিধির আশ্রয়ে ঘরের পাশে বা এলাকাতে কোনো মাদক কারবারী থাকলে, মাদক ব্যবসা করলে সেই জনপ্রতিনিধিদেরও কঠোর ভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।

৩১মে শুক্রবার বিকাল ৪ টা সময় টেকনাফ উপজেলাধীন বাহারছড়া ইউনিয়নের মাদক নির্মুল ও প্রতিরোধ কমিটির কার্যালয় উদ্ভোধনকালে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন (বিপিএম) বক্তব্যে কালে এইসব কথা বলেন।

উক্ত উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসাইন,উখিয়া টেকনাফ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়ান,জেলা ডিএসবি শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম, বাহারছড়া কমিনিউটি পুলিশের সভাপতি আজিজ উল্লাহ সহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় মাদক বিরুধী জনসাধারণ।
IMG 20190531 152136 TEKNAF TODAY - সীমান্তের সর্বশেষ খবর

IMG 20190531 152136 1 TEKNAF TODAY - সীমান্তের সর্বশেষ খবর
এসপি তার বক্তব্যে আরো বলেন, সারা দেশে মাদকের জন্য টেকনাফের একটি বদনাম রয়েছে। সবার সহযোগীতায় এই বদনাম থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে। বর্তমান সময়ে টেকনাফে এই মাদক ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তা বুঝা যায় এই বারের এসএসসি পরীক্ষায় টেকনাফের ফলাফল দেখে। কারণ কক্সবাজার শহরে অবস্থিত একটি নরমাল উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ ৫ এর সংখ্যা ৭টি। কিন্তু পুরো টেকনাফে এর সংখ্যাও মাত্র ৭টি। এ থেকে উত্তরণে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। তিনি মাদক নির্মুল কমিটির সদস্যদের উদ্দশ্যে বলেন আপনারা মাদক নির্মুলে কাজ করেন। আমরা আপনাদের যথাযথ সহযোগীতা করব। আর মাদকের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি এই কমিটির সাথে যুক্ত থাকতে পারবেনা।

অন্যদিকে এই মাদক কমিটিতে শুরু থেকে কয়েকজন বির্তকিত ব্যক্তি থাকলেও পুলিশ সুপারের অনুষ্ঠান স্থলে তাদের দেখা যায়নি। এই ব্যাপারে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান সঠিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিদের নিয়ে মাদক নির্মুল ও মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে। এখানে কোনো বির্তকিত ব্যক্তিদের স্থান হবেনা।

পরে পুলিশ সুপার টেকনাফ সদর ও পৌরসভা মাদক নির্মূল কমিটির অফিস উদ্ভোধন করেন। এর আগে হ্নীলা-হোয়াইক্যং ও সাবরাং ইউনিয়নের অফিস উদ্ভোধন করেন।