যার ভাই মাদক সেবন করে পথে মরেছে, যার পরিবারে মাদকের হাট, সে অন্যকে মাদকসেবী বলে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

ফয়েজুল ইসলাম রানা কি সাংবাদিক? তার আগে বুঝতে হবে শিক্ষানবিশ সাংবাদিকের অর্থ কি? কেনো সাধারণ লোকজনকে বিব্রান্ত করা হচ্ছে?
-সবাইকে পড়ার অনুরোধ-
লেখক: “রহমত উল্লাহ” অন্য কারো কথায় রহমত চলা ফেরা করে না -বরং আমি সত্য লিখতে মৃত্যুকে খুব কাছে দেখি ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
আগে জানতে হবে যতক্ষন ব্যক্তি কোন প্রতিষ্টানের সাথে যুক্ত থাকে ততক্ষন তাকে ওই প্রতিষ্টানের হিসেবে দাবী করা যায়। যদি যুক্ত না থাকে তবে দাবী করাটা অযৌক্তিক। চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টান আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করার সাংবিধানিক ক্ষমতা রাখে। কিন্তু যারা দাবী করে তাদের জ্ঞান বা দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পাঠক।

বহিস্কৃত ওসি প্রদীপের দালাল হিসেবে তুমি দেশ ব্যপী দালাল নামে স্বীকৃত। টাকার লোভে অসহায় মানুষকে হত্যা করিয়েছ। যার পুরস্কার পেলে হত্যা মামলার আসামি হয়ে। আবার সেসব টাকা বমিও করে দিলে। পরের ভিটায় রায়াতি থেকে তোমার পয়দা। এনজিওর মাঠ কর্মী, ইন্স্যুরেন্সে চাকুরী, কেরানী, হঠাৎ এক রাজনৈতিক ও দালালদের আশীর্বাদে তুমি সংগঠনের নেতা। এর পর মাদককারবারীদের চাদা নিয়ে ভিটা, বাড়ি, নারী আহ.. বড়ই মোয়া পেয়ে গেলে। ঠিকাদার দাবী করো কিন্তু এর পেছনে তোমার অর্থের উৎস কোথায়? সাথে আছে আরেক ইয়াবা কারবারী!

তুমি একজন কথিত দালাল তোমার লেখা কেউ বিশ্বাস করবে না। তুমার দারা ২০ টি পরিবারের আজীবন কান্না। যার জন্য সমাজের ক্ষতি হয়;তার ওয়াজ ও শুনবে না। জনগণ বেকুব না সব বুঝে।

কিন্তু কথা হচ্ছে তুমি সাংবাদিক নেতা দাবী করার আগে প্রশ্ন নিউজ লিখতে জানো? একটি সংবাদে কয়টি ভাগ থাকে? এই পর্যন্ত টেকনাফ কে নিয়ে তোমার লিখা একটি আলোচিত আর্টিক্যাল দেখাতে পারবে? একটি বিষয় দেয়া হবে, সময় বেঁধে দেয়া হবে, তার মধ্যে দুই জন ব্যক্তির উপস্থিতিতে একটি নিউজ বা আর্টিক্যাল লিখে দিতে পারলে ২০ হাজার টাকা পাবে। এটা তোমার জন্য টেকনাফের জনগনের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ!

তোমার সদস্যদের ভাই মাদক সেবন করে পথে পড়ে মরেছে। তবু অন্যদের মাদক সেবী বলে কোন মুখে বুলি আওরাও। আরেক ভাই সারাজীবন পাহাড়ের নিচে পতিতা একটা নিয়ে গাঁজা বিক্রি করে যাচ্ছে তার কি খবর আছে?

তোমার নেতারা নাকি ইয়াবা ও হুন্ডি কারবারীদের এড়িয়ে চলে, কার তালতো ভাই রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করে হুন্ডিতে জড়িয়েছে,দুই কলম লিখতে জানেনা-মাদক তালিকার টপ ৬০নং কার সাথে থাকে, আপন খালাত ভাইকে পুলিশ থেকে ছাড়িয়ে নেয়ার নামে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া বিএনপি সমর্থিত মাদক কারবারীদের দালাল যুবদল নেতা কার সাথে থাকে? এরকম আরো অনেক কিছু আছে।

সুতরাং একটা বিষয় আগে স্পষ্ট করতে হবে, যাকে সাংবাদিক ফোরামের সদস্য বলা হচ্ছে সেই ফয়েজুল ইসলাম রানাকে আটকের পর কি র‍্যাব তার কাছে কোন পত্রিকার কার্ড, ফোরামের সদস্য, নাকি ভুয়া টিভির পরিচয় পত্র পেয়েছে।
উল্টোদিকে ভূয়া টিভি, ভূয়া পোর্টালের কার্ডসহ র‍্যাব কাদের আটক করেছে, মাদক কারবারী ইয়াছিনের কথা গুলো স্মরণ করা দরকার। তারা কাদের সাথে জড়িত ছিলো। এরকম অসংখ্য আছে…

ফয়েজুল ইসলাম রানা ২০১৮ সালে একটু লেখালেখি করত টেকনাফ কলেজে লেখাপড়া কালীন। তাতে সেই সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়। যেই ছবি গুলো অপপ্রচার চালাচ্ছে সেগুলো ২০১৮ সালে সাংবাদিক ফোরাম/টিভি জার্নালিস্ট/টেকনাফ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটি একযোগে বনভোজনের আয়োজনে, সেখানে সীমিত আকারে পুরস্কার বিতরণ করার ছবি। ১৮ সাল শেষ না হতেই ফয়েজুল ইসলাম রানা নিজের ইচ্ছায় চট্টগ্রাম চলে গেছে। এতো বছর পর তার কৃতকর্মের দ্বায়ভার কেন সাংবাদিক ফোরাম নিবে। সে তো দীর্ঘ বছর এই মিডিয়া ইন্ড্রাস্ট্রীর সাথে জড়িত নেই। তিন বছর পর তাকে আবার নতুন করে ইন্ড্রাস্ট্রীর সাথে জড়িয়ে দেয়ার মানে কি?

ফয়েজুল ইসলাম রানা যদি ২০১৯-২০২১ সাল পর্যন্ত কোন জায়গায় সাংবাদিক পরিচয় বা সাংবাদিক ফোরামের কোন মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছে এমন প্রমান দিতে পারলে গোটা সংগঠনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবো। যদি না পারেন তবে স্ময় মতো জুতা মুখে নিয়ে ঘুরতে হবে।
সম্মানীত পাঠক ভালো ভাবেই জানেন আপনাদের চরিত্র। সুতরাং ভূয়া পোর্টালের মালিকদের বলছি অপপ্রচার চালালে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
প্রিয় পাঠক গুজবে কান দিবেন না অপপ্রচার পোস্টে কমেন্ট করবেন না