বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলা মৌলভী বাজার-হোয়াব্রাং পয়েন্ট থেকে রোহিঙ্গা কর্তৃক মাদকের চালান খালাস এবং স্থানীয় দূবৃর্ত্ত ছিনতাই ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় সর্বত্র চাঞ্চল্য সৃষ্টির পর তোলপাড় চলছে। এই সুযোগে চিহ্নিত একটি চক্র ঘটনাটি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষ এই অপরাধ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,গত ২৬সেপ্টেম্বর ভোরে কয়েকজন রোহিঙ্গা যুবক হ্নীলা মৌলভী বাজার-হোয়াব্রাং পয়েন্ট হতে ১লাখ পিস ইয়াবার চালান নিয়ে আসে। স্থানীয় আব্দুল আজিজের পুত্র ফরিদ আলম, দুদু মিয়ার পুত্র বদি আলম, নুর আলমের পুত্র আবসার, কবির হাজীর পুত্র মোহাম্মদ নুর, শামসুল আলমের পুত্র মোঃ ইলিয়াছ প্রকাশ লাল মিয়া, মৃত আবুল হোছনের পুত্র বদি আলমের নেতৃত্বে ১৯জনের সিন্ডিকেট ১লাখ পিস এই মাদকের চালান খালাস করে নিয়ে আসে। এরপর রোহিঙ্গাদের সাথে যোগ-সাজশ করে এই মাদকের চালানটি ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে বলে অপপ্রচার চালিয়ে মালিক পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ৭লাখ টাকা মুক্তিপণ নেয়। এরপর মাদকের চালানটি মালিক পক্ষকে ফেরত দিলে ; নেওয়ার সময় তাদেরই যোগসাজশে ২য় দফায় পূর্ব সিকদার পাড়া উত্তরের বিলে অপর একটি ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে গোলাগুলির এক পর্যায়ে ছিনতাইয়ের শিকার হয়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এলে সীমান্ত সংশ্লিষ্ট সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের অপতৎপরতার তথ্য বেরিয়ে আসে।
স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,এলাকায় বিশেষ সিন্ডিকেট কর্তৃক মাদকের চালান খালাস ও ছিনিয়ে নিয়ে রোহিঙ্গাসহ ভাগ-বাটোয়ারা করার ঘটনায় এই গ্রামে তুমুল হৈ ছৈ চলছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী,মাদকের চালান খালাস,লুটপাট, পরিবহনে জড়িত ও মালিক পক্ষ সবাই অপরাধী। উপরোক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এসব অপরাধের প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন। এই জন্য সীমান্তরক্ষী বিজিবি,আইন-শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনী ও মাদক নির্মূলে জড়িত বিশেষ বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ###
