ফরিদুল আলম : কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত এম.আর. মামলা নং-১৩১০/২০২১ইং এ প্রভাব খাঁটিয়ে জবর-দখল, বেচা-বিক্রি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও অশান্তির উপক্রম হয়েছে। তাই আদালত হ্নীলার মরহুম হাজী অজি উল্লাহর হোয়াইক্যং রইক্ষ্যং এলাকার সম্পত্তি বেচা-বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে এবং তদন্ত স্বাপেক্ষে পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
জানা যায়, টেকনাফের হ্নীলা মৌলভী বাজারের সোলতান আহমদের পুত্র মোঃ ইব্রাহীম গং বাদী হয়ে তার নিম্মে তফশীলোক্ত উত্তর হ্নীলা মৌজার আর,এস ৮১৩নং খতিয়ানের আর,এস ৫৫১৪নং দাগের আন্দর আর,এস ৮০৬/৪৯নং খতিয়ানের আর,এস ৫৫৩৬/৫৫৯৫ দাগের আন্দর ২.৪৩ শতক জমি। বি,এস ১৭২নং খতিয়ানের বি,এস ৪৯২২নং দাগের ২.৪৩শতক জমি। চৌহর্দ্দি : উত্তরে বন বিভাগের জমি, দক্ষিণে বদিউজ্জামানের চাষাবাদের জমি, পূর্বে বদিউজ্জামানের চাষের জমি,পশ্চিমে হাছিনা বেগমের নাল জমি। দীর্ঘদিন ধরে ভোগ-দখল করে আসছে।
বর্তমানে জমির বাজার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ২য়পক্ষ প্রভাবশালী, ভূমিদস্যু, র্দূলোভী হওয়ায় গত ১০মে একই এলাকার মরহুম অজি উল্লাহর পুত্র রশিদ আহমদ, সফিক আহমদ, নজির আহমদ, রফিক আহমদ, সালাহ উদ্দিন আহমদ, আবছার উদ্দিন আহমদ, সিদ্দিক আহমদ, মেয়ে বুলবুল আক্তার, আরেফা খানম, সায়মা নাসরিন, স্ত্রী হামিদা বেগম ও ছকিনা বেগমসহ আরো ১০/১৫জন অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে লাঠি-সোটা,দা-কিরিচ ও পেশী শক্তির দাপটে জবর-দখলের চেষ্টা চালায়। যা নিয়ে বড় ধরনের সংঘাতের আশংকায় রয়েছে স্থানীয়রা। তাই বাদী তার ভোগদখলীয় সম্পদ রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের স্বার্থে গত ১৬জুন/২০২১ইং কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এম.আর. মামলা নং-১৩১০/২০২১ইং দায়ের করেন। আদালত তা আমলে নিয়ে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার স্বার্থে উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়ে ১৪৪ধারা জারি করেন।
এছাড়া টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও নথি পর্যালোচনা করে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন এবং মতামতসহ রিপোর্ট দেওয়ার জন্য বলা হয় এবং অফিসার্স ইনচার্জ, টেকনাফ মডেল থানাকে বিরোধীয় জায়গায় শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার জন্য এডিএম কোর্টের ১৬২৪নং স্মারকমূলে নির্দেশ দেওয়া হয়। ###
