চকরিয়া পৌরশহরে চারটি ডায়গনষ্টিক সেন্টারকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতাল সড়কে অনুমোদনহীন নিন্মমানের ওষুধ বিক্রি এবং অপরিস্কার পরিবেশ, মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ লাইসেন্সের আড়ালে রমরমা চিকিৎসা বাণিজ্যে অর্থ হাতিয়ে নিতে ডায়গনষ্টিক সেন্টার পরিচালনার করায় দায়ে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১৫’র ভ্রাম্যমাণ আদালত এক অভিযান পরিচালনা করেছেন। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলা সরকারী হাসপাতাল সড়কের আশপাশ এলাকায় অনুমোদনহীন বেশকিছু ফার্মেসী এবং ডায়গনষ্টিক সেন্টারে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাব-১৫ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান। এসময় র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত চারটি ডায়গনিষ্ট সেন্টারকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানের সময় হাসপাতাল সড়কের বেশিরভাগ ফার্মেসী এবং ডায়গনিষ্ট সেন্টারের মালিক-কর্মচারী র‌্যাবের উপস্থিতি দেখে দোকান বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়।
অভিযান শেষে র‌্যাব-১৫’র কমান্ডার ও সহকারী পুুলিশ সুপার মো: জামিলুল হক স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, চকরিয়া সরকারী হাসপাতালের আশপাশে গড়েউঠা বেশীর ভাগ ডায়গনষ্টিক সেন্টার গুলোর সেবা খুব নিন্ম মানের। অপরিস্কার পরিবেশ, ল্যাবে যথাযথ মেডিসিন নেই, নিন্মমানের মেডিসিন দিয়ে রোগিদের সেবার নামে প্রতারণা করে আসছে। এইধরণের অভিযোগ পেয়ে সর্বশেষ শনিবার ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল সড়কের ৪টি ডায়গনষ্টিক সেন্টার থেকে আড়াই লাখ জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া সবাইকে দ্রুত সেবা প্রতিষ্টানের অনুমোদন, উন্নত মেডিসিন সরবরাহ, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং রোগিদের ভাল মানের সেবা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
তিনি বলেন, পুনরায় অনুমোদন ও নিন্মমানের সেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। উলে­খ্য কোন কোন ডায়গনষ্টিক সেন্টার থেকে আড়াইলাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে তা তিনি সঙ্ঘাত কারণে নাম উলে­খ করেননি। এসময় চকরিয়া থানা পুলিশ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন এ অভিযানের সাথে ছিলেন।
স্থানীয় সচেতন মহল দাবী করেন, চকরিয়া সরকারী হাসপাতালকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে কিছু ডায়গনষ্টিক সেন্টার রোগিদের সেবা নামে প্রতারণা করে আসছে। এদের মধ্যে বেশীরভাগ ডায়গনষ্টিক সেন্টারের মেয়াদ উত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন। অপরদিকে অধিকাংশ ফার্মেসীতে নিন্মমানের ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। অভিযোগ রয়েছে, ওষুধ পরিদপ্তর এবং সিভিল সার্জন অফিসের লোকজন মাসোহারা নিয়ে এসব সুবিধা দিচ্ছে। সর্বশেষ শনিবার র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বেশীর ভাগ ফার্মেসী এবং ডায়গনিষ্ট সেন্টারের মালিক-কর্মচারী দোকান বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়। #