মাহবুব নেওয়াজ মুন্না : সেন্টমার্টিন দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত বাংলাদেশের ৮ কিলোমিটার আয়তনের সর্বদক্ষিণের ক্ষুদ্র ইউনিয়ন। দ্বীপটির চতুর্দিকে জলদ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় খুবই দূরাবস্থায় শতশত বছর জীবনযাপন করে যাচ্ছেন দ্বীপটির বাসিন্দারা।
শীতকালে সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রচুর পর্যটক আসে তাই পর্যটন ব্যবসাও জমজমাট থাকে। কিন্তু অন্য মৌসুমে দ্বীপটির বাসিন্দারা খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করে থাকেন।
সম্প্রতি মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধের কারণে সেন্টমার্টিন দ্বীপবাসীর এই দূর্ভোগ আরো বেড়েছে। তাদেরকে চলাচলের রুট পরিবর্তন করতে হয়েছে। খাবার সংকটে ভুগছেন সেখানকার বাসিন্দারা।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, সেন্টমার্টিন দ্বীপে বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার বসবাসকারীদের জন্য জরুরীভিত্তিতে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করার জন্য কোন প্রকার সী এ্যাম্বুলেন্সই না থাকার কারণে গর্ভবতী মা, বয়োবৃদ্ধসহ যেকোন জরুরী রোগীকে বাঁচানো কষ্টকর হয়ে পড়ছে। সাগরের রুটে পথিমধ্যেই প্রাণ গেছে অনেকের।
তুর্কিয়ে সরকারের কো-অপারেশন এন্ড কোওর্ডিনেটনেশন এজেন্সী TiKA কর্তৃক কিছুদিন পূর্বে ভাসানচরের জন্য তুর্কী জনগণের ভালবাসা সরূপ একটি সী এ্যাম্বুলেন্স উপহার দেয়া হয়েছে এমনটা অনলাইন অফিসিয়াল পেইজে দেখার পর আমিও সেন্টমার্টিন দ্বীপবাসীর জন্যও একটি সী এ্যাম্বুলেন্স উপহার দেওয়ার জন্য ই-মেইল পাঠিয়েছিলাম তাঁদের অফিসিয়াল এড্রেসগুলোতে।
আর্ত মানবতার সেবার অংশ হিসেবে, জরুরীভিত্তিতে সী এ্যাম্বুলেন্স পাওয়ার লক্ষ্যে RRRC কক্সবাজার অফিস, TiKA ঢাকা অফিস, উপজেলা প্রশাসন, টেকনাফ বরাবর লিখিত আবেদনপত্র প্রেরণ করার জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
মাহবুব নেওয়াজ মুন্না : উন্নয়ন পেশাজীবি, সমাজচিন্তক ও লেখক। জন্ম ১৯৯৩ সালের ২২ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলাস্থ সাবরাং ইউনিয়নের পুরান গ্রামে। ২০১৯ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কক্সবাজার সিটি কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে এমবিএ এবং কম্পিউটার সায়েন্সে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেছেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে লেখকের কর্মজীবন শুরু। বর্তমানে ২০১৮ সাল থেকে শেড সংস্থায় কর্মরত। শৈশব থেকেই বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লিখালিখির হাতেখড়ি হয়। ইবনে মাসঊদ (রাঃ) নূরানী মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে ২০১৯ সাল থেকেই গুণগত শিক্ষার প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেন।
