হ্নীলায় পৈত্রিক সম্পত্তি জবর-দখলে নিতে হুমকি-ধমকি ও হয়রানির অভিযোগ!

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

বার্তা পরিবেশক : হ্নীলায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাদের ছেলেদের পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের জন্য হামলা ও নানাবিধ হয়রানির অভিযোগ উঠেছে এক চাচার বিরুদ্ধে। এই ভূমি দস্যু প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করেই অসহায় এতিম পরিবারের জমি জবর-দখলের পায়তারা চালাচ্ছে। এই ব্যাপারে সকলের আন্তরিক সহায়তা কামনা করেছেন।

জানা যায়, হ্নীলা পশ্চিম পানখালীর মৃত আব্দুস সোবহানের পুত্র ছমি উদ্দিনের ৪.৯৯৬৩ একর সম্পত্তি ছিল। ছমি উদ্দিনের মৃত্যুর পর এক স্ত্রী ০.৬২৪৫ একর, পাঁচ ছেলেদের মধ্যে জনপ্রতি ০.৬২৪৫একর এবং চার মেয়েদের প্রত্যেকে ০.৩১২২একর জমি ওয়ারিশ হিসেবে পায়। মৃত ছমি উদ্দিনের প্রথম পুত্র মাষ্টার সোলাইমান ইন্তেকাল করলে তাঁরই স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক কন্যা বন্টনমূলে ওয়ারিশ সম্পত্তি এবং ক্রয়কৃত ০.৪৮০০ একর জমিসহ ১.১০৪৫ একর জমি ভোগ দখল করে আসছে। সেই জমির কিছু অংশ স্থানীয় ফয়জুল করিমের পুত্র মাঈনুদ্দিনকে বর্গা চাষ করতে দেয়।

৪ মে সকাল ৯টারদিকে উপজেলার হ্নীলা পশ্চিম পানখালী এলাকার মৃত মোঃ সোলাইমানের ওয়ারিশ সুত্রে প্রাপ্ত জমি পুত্র শহীদুল ইসলাম গং দক্ষিণ হ্নীলা মৌজার জে এল নং-৫ এর অধীনে বি.এস খতিয়ান নং-৪৩১ এর বিএস দাগ নং-২৮৬৪ তৎপ্রমাণে দিয়ারা খতিয়ান নং-২১২ এর দাগ নং-৪১৩০ এর আন্দরে ২২শতক জমি প্রতিবেশী মাঈুদ্দিন লাগিয়ত জমি চাষাবাদ করার জন্য যায়। মৃত ছমি উদ্দিনের অপর পুত্র জাফর আলম দা-কিরিচ নিয়ে হামলা করতে আসে এবং এই জমি জাফর আলমের দাবী করে তাড়িয়ে দেয়। গত ১৩এপ্রিল সকালে জাফর আলম ও তার ছেলে রাসেল দেশীয় দা-কিরিচ নিয়ে মৃত সোলাইমান মাষ্টারের জমি জবর-দখল করতে যাওয়ার সময় বাঁধা দেওয়ায় হামলায় স্ত্রী শামসুন নাহার হামলায় আহত হয়। তাকে স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে উপজেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। এরপর উক্ত বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মৃত মাষ্টার সোলাইমান গংয়ের চাষাবাদ অব্যাহত থাকুক এবং করোনা পরিস্থিতির পর উভয়পক্ষকে স্ব স্ব কাগজ নিয়ে থানায় হাজির থাকার নির্দেশ দিয়ে চলে যায়।

ইতিপূর্বেও হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যানকে উক্ত বিষয়ে নালিশ দায়ের করলে পরিষদ শান্তি-শৃংখলার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষকে স্ব স্ব অবস্থানে থাকার পরামর্শ দেন। সেই সুত্রধরে শহীদুল ইসলামের কৃষক চাষ করতে গেলে সন্ত্রাসী জাফর আলম গং স্বশস্ত্র হামলা চালায়। শহীদুল গং সরে আসায় বড় ধরনের সংঘাত থেকে রক্ষা পেল।
এদিকে শহীদুল ইসলাম গং পৈত্রিক ওয়ারিশ সম্পত্তির অধিকার ও ভোগ-দখল বজায় রাখতে এলাকার জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহায়তা কামনা করেছেন। ###