টেকনাফ টুডে ডেস্ক : হ্নীলা জাদিমোরা পয়েন্ট হতে মোটর সাইকেলযোগে পাচারের সময় মাটি পড়ে যাওয়া ২০হাজার ইয়াবার চালান স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
সুত্র জানায়, ৯ আগষ্ট রাত ৮টারদিকে দক্ষিণ জাদিমোরা এলাকা হতে একটি দ্রুতগামী মোটর সাইকেল হতে ২টি পুটলা পড়ে যেতে দেখতে পান স্থানীয় আবুল কালাম সর্দারের পুত্র জেলে আক্তার কামাল। সে মোটর সাইকেলটি মালামাল পড়ে গেছে মর্মে থামানোর জন্য সংকেত দেয়। মোটর সাইকেলটি না থামিয়ে চলে যাওয়ায় উপস্থিত লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন পরিত্যক্ত পুটলা ২টি ইয়াবার কার্ড। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। তখন ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি থানা পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থাকে অবহিত করেন।
এরই মধ্যে খবর পেয়ে লেদা বিওপি ক্যাম্পের একদল বিজিবি জওয়ান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে এই ইয়াবার চালানটি পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিজিবি জওয়ানদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান।
এই ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ফেরারী মাদক কারবারী এবং স্বশস্ত্র গ্রুপের সদস্যরা এলাকায় ফিরে মাদক সেবন করে মাতলামী এবং আতশবাজি ফুটিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছে। যা থুবই দুঃখজনক। দেশের মধ্যে এমনিতে আগুন জ্বলছে তম্মধ্যে প্রকাশ্যে মাদকের চালান বহন এবং মাদকের চালান পড়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এক শ্রেণীর মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তারা মৃত্যুকে পর্যন্ত ভয় পায়না। তাই আমি মাদক বিরোধী অভিযান কঠোরভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
এদিকে গোপনীয় একটি সুত্রের দাবী, জাদিমোরা জাদির তলা, বৃটিশ পাড়ার চিহ্নিত কয়েকজন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি চক্র গত সপ্তাহে বিরাট একটি ইয়াবার চালান খালাস করে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশী অভিযানে একজন আটক হয়ে হাজতে যায়। ১৫ কার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে যায় এবং অবশিষ্ট মাদকের চালান মাটির গর্তে লুকিয়ে রাখে। হয়তো এই লুকানো চালান দ্রæত পাচার করতে গিয়েই পথে পড়ে গেলে লোকজনের সামনে পড়ে যায়।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ জাদিমোরা, মধ্যম জাদিমোরা, বৃটিশ পাড়া, নয়াপাড়া ও মোচনী এলাকার দূধর্ষ রোহিঙ্গা এবং স্থানীয়দের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেটের কারণে মাদকের চালান খালাস, পাচার এবং সেবন থামানো যাচ্ছেনা। তাই উক্ত এলাকার চিহ্নিত সকল মাদক কারবারীদের সনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবী উঠেছে।
