অনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার :
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে অস্ত্রের মুখে ফের গরু ডাকাতি হয়েছে ।
২১ এপ্রিল গভীর রাতে ঈদগাঁও ইউনিয়নের কালির ছড়া বাজার ও পাশের কয়েক বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে ।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গভীর রাতে পিকআপ যোগে আসা ডাকাতরা দু দলে ভাগ হয় । এক দল বাজার থেকে মৌলানা ওমরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাজারের খোরশেদ আলমের ছেলে রাশেদের দোকানে জোর পুর্বক প্রবেশ করে অর্ধ ডজন মোবাইল সেটসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে তাদের দোকানে বেধেঁ রাখে ।
অন্য দল বাজার সংলগ্ন শুক্কুরের ছেলে এনামের গোয়াল ঘর থেকে ৩টি এবং নজির আহমদের ছেলে নুরুর গোয়াল থেকে ৩টিসহ মোট ৬টি গরু লুট করে বাজারে অপেক্ষমান পিকআপ যোগে স্থান ত্যাগ করে ।
এর পূর্বে ইউছুফ ফকিরের ছেলে সেফায়েত উল্লাহ নামের এক ব্যাক্তিকে ব্যাপক মারধর করে বলে জানা গেছে ।
ডাকাতদল চলে যাওয়ার পরে পুলিশ পৌঁছে বেধেঁ রাখা লোকজনদের উদ্ধার করে ।
সম্প্রতি চুরি ,ডাকাতি ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে বৃহত্তর ঈদগাঁওতে এলাকা ভিত্তিক কমিউনিটি পুলিশের কমিটি গঠন করা হয় । তারপরও আশংকাজনক হারে বেড়ে চলছে ডাকাতি ছিনতাইসহ নানা অপরাধ ।
জনগণের অভিযোগ, কমিউনিটি পুলিশের কমিটিতে যাদের পদ পদবি দেয়া হয়েছে তাদের সাথে এলাকার কোন জন সম্পৃক্ততা নেই । তাদের ডাকে পুলিশকে সাহায্য করতে কেউ এগিয়ে আসছেনা । কারণ এলাকায় তাদের কোন প্রভাব বা ইমেজ নেই । তারা নামে মাত্র পদবি নিয়ে বসে আছে ।এতে করে প্রশাসনের সু উদ্যোগ আলোর মুখ দেখছেনা ।তাই তারা কমিটি পুনর্গঠনের দাবি তুলেছে ।
ঈদগাঁও পুলিশের এএসআই ও কমিউনিটি পুলিশের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে গরু চুরির ঘটনা নিশ্চিত করলেও দোকান ডাকাতির বিষয় অস্বীকার করেন ।
অন্যদিকে প্রতিনিয়ত মহাসড়ক দিয়ে গাড়ি যোগে ডাকাতি- ছিনতাই করে ডাকাতরা কিভাবে সড়কের টহল পুলিশকে ফাঁকি দিচ্ছে তা রহস্যজনক মনে করছে সচেতন মহল । কারণ মহাসড়কে রাতে থানা পুলিশের পাশাপাশি উত্তরে মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ এবং দক্ষিণে তুলাতলি হাওয়ে পুলিশ টহল দেয় নিয়মিত । তারা অবিলম্বে আইন শৃংখলা উন্নয়নে উর্ধতন প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেন ।
