টেকনাফে ৩০২৭একর জমিতে লবন উৎপাদনে চাষীরা এখন মাঠে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী : টেকনাফে ৩০২৭ একর জমিতে সম্পূর্ণ পলিথিন পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদনে ৯১০ চাষী আগামী নভেম্বর মাসে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ উপলক্ষে প্রায় চাষীরা অক্টোবর মাসে লবণ মাঠ সংস্কারে আগাম নেমে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। হোয়াইক্যং, হ্নীলা, বাহারছড়া, শামলাপুর, টেকনাফ সদরের (একাংশ) সাবরাং ও শাহপরীরদ্বীপে ৩০২৭ একর জমিতে লবণ চাষাবাদ করে আসছিল। ২০১৭-২০১৮ গেল অর্থবছরে ১লাখ ১৫ হাজার ৫শত মেট্রিক টন লবণ উৎপাদিত হয়েছিল। ২৪টি গোদামে ১৭ হাজার মেট্রিক টন লবণ এখনো মওজুদ রয়েছে। বর্তমান বাজারে প্রতিমন লবণের দাম ২শত ১০ টাকা। ভারত থেকে লবণ আমদানি এবং মিলমালিকের চক্রান্তের কারণে চাষীরা লবণের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে চাষীরা লবণ উৎপাদনে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা। ২০১৯-২০২০ চলতি অর্থ বছরে লবণের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশায় ৯১০ জন লবণ চাষী ৩০২৭ একর জমিতে লবণ উৎপাদনে চলতি বছর নভেম্বর মাসে লবণ উৎপাদনে প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) টেকনাফ লবণ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান এ প্রতিবেদককে জানান, গত বছর আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় লবণের বাম্পার ফলন হয়েছিল। চলতি বছর ও যদি প্রাকৃতিক অবস্থা এবং আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলে লবণ উৎপাদনে চাষীরা উৎসাহিত হবে। চাষী কালা মিয়া, নজরুল ও রহমান জানায় চাষীরা লবণ মাঠে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আধুনিক ও পলিথিন পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদন করলেও চাষীরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত এবং আধুনিক প্রশিক্ষনের অভাবে লবণ উৎপাদন ও বিপনন ক্ষেত্রে চাষীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।