নিজস্ব প্রতিবেদক : টেকনাফ বাহার ছড়া উত্তর শিলখালী শিশুদের তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দিনমজুর আব্দুল করিম (৪০) হত্যার অভিযুক্ত ঘাতক ফোরকানসহ হত্যা মামলার আসামিরা গত এক সাপ্তাহ পার হয়ে গেলেও প্রশাসন তাদের এখনো আটক করতে পারেনি।পালিয়ে বেড়াচ্ছে ঘাতরা তাদেরকে প্রশাসনের কাছে ধরে দিতে সহায়তা চেয়েছে পরিবার।
ঘাতদের বিরুদ্ধে নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম,বাদী হয়ে প্রধান ঘাতক ফোরকানসহ তিন জনের নাম উল্লেখ করে কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়েরের এক সাপ্তাহ পার হয়ে গেলেও আসামিদের আটক করতে সক্ষম হয়নি স্থানীয় প্রশাসন।খুরশিদার দাবি আসামিরা এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে এমনকি মোবাইল ফোনে মামলা তুলে নেওয়ারও হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে।বিধবা স্ত্রী স্বামী হত্যার খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবি জানিয়েছেন এবং খুনীদের প্রশাসনের নিকট ধরিয়ে দিতে সকলের সহায়তা চেয়েছেন।
উল্লেখ্য গত ২৭ আগষ্ট সন্ধ্যার দিকে উপজেলার বাহারছড়া উত্তর শীলখালী পাহাড়ী এলাকায় প্রতিবেশী মৃত হাসান আলীর পুত্র আব্দুল করিমের (৪০) মেয়ে রিয়া মনি (৪) এবং মঞ্জুরের পুত্র ফোরকানের (২১) সাইয়্যিদের (৪) এর সাথে ঝগড়ার জেরধরে উভয় পিতার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও তর্কের সুত্রপাত হয়। তা নিরসন হলে যে যার বাড়ি চলে যায়।এদিকে আব্দুল করিম পুত্র রিয়াজকে নিয়ে বাড়ির মুরগীর ঘর মেরামতের সময় ফোরকান লোহার খন্তি নিয়ে এসে মাথায় ২টি আঘাত এবং কানের পাশে আঘাত করে অজ্ঞান এবং রক্তাক্ত করে ফেলে চলে যায়। তাকে উপস্থিত লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আব্দুল করিমকে চমেকে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮আগষ্ট সকাল ৮টারদিকে আব্দুল করিম মারা যায়।
এই ব্যাপারে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি আনোয়ার হোসেন জানান,আসামিদের আটকের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য বলেছেন। যেখানে হোক সঠিক তথ্য পেলে তাদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।
