আব্দুল মাবুদ, শাহপরীরদ্বীপ প্রতিনিধি :
টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ ঘোলার চর পয়েন্টে রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকা ডুবির ঘটনায় আরো ৩ রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতের খুরের মুখ পয়েন্ট থেকে স্থানীয়রা মৃতদেহ গুলি দেখতে পেয়ে কাছের বিজিবির পোষ্টে খবর দেয়। বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের নিয়ে সৈকত থেকে মৃতদেহ গুলি উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁেছ রোহিঙ্গাদের লাশ হিসাবে শনাক্ত করে দাফনের জন্য স্থানীয় ইউপি মেম্বারকে দায়িত্ব দেয়।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন খান সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান খবর পেয়ে পুলিশ সৈকতে ভেসে আসা ৩ রোহিঙ্গা নারীর মৃতদেহ স্থানীয় ভাবে দাফনের অনুমতি দেয়। মৃতদেহ গুলি বেশ কয়েকদিন আগের হওয়ায় ধারনা করা হচ্ছে গত রোববার শাহপরীরদ্বীপ ঘোলার চর পয়েন্টে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিহত রোহিঙ্গাদের মৃতদেহ হতে পারে।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার মোয়াজ্জেম হোসেন দানু জানান, প্রথমে দুইটি ও কিছুক্ষন পর আরো একটি লাশ ভেসে আসে। রাতেই স্থানীয় কবরস্থানে মৃতদেহ গুলোর দাফন সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ট্রলার ডুবির এ ঘটনায় নাফ নদী ও সাগর থেকে ১৯ জন শিশু, ১৩ জন নারী ও ২জন পুরুষের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের সবাইকে স্থানীয়ভাবে দাফন করা হয়েছে। এছাড়া ১৭জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল ঘটনার পরপর।
প্রসঙ্গত গত রোববার রাতে একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে প্রায় ৬০-৬৫ জনের মতো রোহিঙ্গা নিয়ে মংডুর নাইক্ষংদিয়া এলাকা থেকে বাংলাদেশের শাহপরীরদ্বীপ পয়েন্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। এসময় ডুবো চরে ধাক্কা লেগে টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপের নাফ নদীর ঘোলার চর পয়েন্টে দূর্ঘটনায় ট্রলারটি ডুবে যায়।
গত ২৫ আগস্ট থেকে এপর্যন্ত অন্তত ৩০টি বোট ডুবির ঘটনায় ২ শতাধিক রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার হয়েছে।
