বার্তা পরিবেশক : ১৮ ডিসেনম্বর টেকনাফ টুডে অনলাইনে প্রকাশিত “লেদা রোহিঙ্গা বস্তির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পারিবারিক কলহের বিচারে উৎকোচ দাবীর অভিযোগ!” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদের একাংশে আমাকে জড়ানো হয়েছে। যা অভিযোগকারী নুরুল কবিরকে ব্যবহার করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টামাত্র।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে গত ১৬ডিসেম্বর সকাল ৮টারদিকে লেদা ক্যাম্পে বি-ব্লকের ৩০২নং রোমের বাসিন্দা সাইফুলের মেয়ে রোকেয়া বেগমকে স্বামী আনোয়ার সাদেক মারধর করলে ধরে এনে আলম চেয়ারম্যানের সালিশ কেন্দ্রে নিয়ে আসে। সালিশ নিষ্পত্তি ও আসামীকে চালান করার জন্য টাকা দাবীর বিষয়টি ভিত্তিহীন। সালিশ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হওয়ায় রাতে আসামীকে বিচার ঘরে রাখা হয়। আসামী রাতে উক্ত ঘরের দরজা ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। টাকা নিয়ে আসামী ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি একেবারে মিথ্যা। আমরা কোন প্রবাসী থেকে টাকা নিইনি। বরং পালিয়ে যাওয়া আসামীর সাথে তাদের ফোনে যোগাযোগ রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে নুরুল কবির গং এবং ভলান্টিয়ারদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধলে আমরাই পরিস্থিতি শান্ত করি। যে ঘটনার স্বাক্ষী প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গারা। তা নিয়ে নুরুল কবির গং থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ালে আগামী শুক্রবারে সমাধানের ঘোষণা আসায় আমরা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান এবং বøক মেম্বার হিসেবে নীরব হয়ে যায়।
নুরুল কবির গং ক্যাম্পের একটি সুবিধাভোগী মহলের ইন্ধনে এই ধরনের বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে প্রশাসনিকভাবে হয়রানির জন্য চক্রান্ত করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই ধরনের অপপ্রচারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানিয়ে দূবৃর্ত্ত চক্রের ঘৃণ্য কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
মোঃ নুরুল বশর
ব্লক মেম্বার,
লেদা ২৪ এলএমএস ক্যাম্প।
