বিশেষ প্রতিবেদক : উখিয়া-টেকনাফে প্রধান সড়কে চট্টগ্রাম র্যাব-৭ অভিযান চালিয়ে ১লাখ ৬০হাজার ইয়াবা নিয়ে পালংখালীর লুঙ্গি বাবুইয়া এবং লম্বাবিলের বিগত নির্বাচনের মেম্বার প্রার্থী শাহ আলমসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে।
গত ১১জুন সকাল সোয়া ১১টায় চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর একটি চৌকষ আভিযাানিক দল মাদকের বড় চালান নিয়ে উখিয়া উপজেলার দিকে আসার সংবাদ পেয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে। এ সময় একটি টমটম তল্লাশী করে টেকনাফের হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাংয়ের আমির হোসেনের পুত্র মোঃ মানিক (২৬), পালংখালীর মৃত ফরিদুল আলমের পুত্র শহীদুল ইসলাম বাবু (২০), হোয়াইক্যং লম্বাবিলের মেম্বার প্রার্থী ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শাহ আলম (৪৪), হোয়াইক্যং চাকমারকূলের নুর আহমদের পুত্র মোঃ জোবায়ের (২০) এবং একই গ্রামের মোঃ ইউনুছের পুত্র মোহাম্মদ শাহ(২১) দের আটক করে।
পরে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃতদের হাতে থাকা প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতর হতে তাদের নিজ হাতে বের করে দেয়ামতে ইট সাদৃস্য স্কচটেপ ও কাগজ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় মোট ১ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা।
চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ নুরুল আবছার জানান,উখিয়ায় স্থানীয়ভাবে বাবুইয়া গ্রুপ নামে পরিচিত এই গ্রুপ অত্যন্ত চতুরতা ও সুক্ষতার সাথে সীমান্ত ঘেঁষা নাফ নদীতে মাছ ধরার ছলে লুঙ্গি ও মাছ ধরার জালে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা ফিট করে স্থানীয় কিশোর এবং রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে দিনের পর দিন ইয়াবা মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার করে আসছিল। মূলত এই বাবুইয়া গ্রুপ অপেক্ষাকৃত কম বয়সে সর্বনাশা ইয়াবার ব্যবসা করে অধিক অর্থবিত্তের মালিক হওয়ায় তারা খুব সহজেই তাদেরকে উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করে যুবসমাজ তথা শিশু-কিশোরদেরও অবৈধ অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে এই জঘন্য ব্যবসায় নিয়ে আসছে। ইয়াবা পাচারের জন্য তারা সব সময়ই শিশু-কিশোরদের ব্যবহার করতো। এখানে উল্লেখ্য যে,বাবুইয়া গ্রুপ মায়ানমার সীমান্তে ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারের অন্যতম বড় সিন্ডিকেট ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীগণ এবং উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিশেষ প্রতিবেদক : উখিয়া-টেকনাফে প্রধান সড়কে চট্টগ্রাম র্যাব-৭ অভিযান চালিয়ে ১লাখ ৬০হাজার ইয়াবা নিয়ে পালংখালীর লুঙ্গি বাবুইয়া এবং লম্বাবিলের বিগত নির্বাচনের মেম্বার প্রার্থী শাহ আলমসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে।
গত ১১জুন সকাল সোয়া ১১টায় চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর একটি চৌকষ আভিযাানিক দল মাদকের বড় চালান নিয়ে উখিয়া উপজেলার দিকে আসার সংবাদ পেয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে। এ সময় একটি টমটম তল্লাশী করে টেকনাফের হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাংয়ের আমির হোসেনের পুত্র মোঃ মানিক (২৬), পালংখালীর মৃত ফরিদুল আলমের পুত্র শহীদুল ইসলাম বাবু (২০), হোয়াইক্যং লম্বাবিলের মেম্বার প্রার্থী ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শাহ আলম (৪৪), হোয়াইক্যং চাকমারকূলের নুর আহমদের পুত্র মোঃ জোবায়ের (২০) এবং একই গ্রামের মোঃ ইউনুছের পুত্র মোহাম্মদ শাহ(২১) দের আটক করে।
পরে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃতদের হাতে থাকা প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতর হতে তাদের নিজ হাতে বের করে দেয়ামতে ইট সাদৃস্য স্কচটেপ ও কাগজ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় মোট ১ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা।
চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ নুরুল আবছার জানান,উখিয়ায় স্থানীয়ভাবে বাবুইয়া গ্রুপ নামে পরিচিত এই গ্রুপ অত্যন্ত চতুরতা ও সুক্ষতার সাথে সীমান্ত ঘেঁষা নাফ নদীতে মাছ ধরার ছলে লুঙ্গি ও মাছ ধরার জালে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা ফিট করে স্থানীয় কিশোর এবং রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে দিনের পর দিন ইয়াবা মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার করে আসছিল। মূলত এই বাবুইয়া গ্রুপ অপেক্ষাকৃত কম বয়সে সর্বনাশা ইয়াবার ব্যবসা করে অধিক অর্থবিত্তের মালিক হওয়ায় তারা খুব সহজেই তাদেরকে উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করে যুবসমাজ তথা শিশু-কিশোরদেরও অবৈধ অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে এই জঘন্য ব্যবসায় নিয়ে আসছে। ইয়াবা পাচারের জন্য তারা সব সময়ই শিশু-কিশোরদের ব্যবহার করতো। এখানে উল্লেখ্য যে,বাবুইয়া গ্রুপ মায়ানমার সীমান্তে ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারের অন্যতম বড় সিন্ডিকেট ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীগণ এবং উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
