হ্নীলা মরিচ্যাঘোনার আতংক সাদ্দাম-সাইফুলের অপকর্ম শীর্ষক ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

বার্তা পরিবেশক : গত ৯ জানুয়ারী বিভিন্ন অনলাইন এবং ১০জানুয়ারী দৈনিক আজকের দেশবিদেশ ও দৈনিক আজকের কক্সবাজারে প্রকাশিত “হ্নীলা মরিচ্যাঘোনার আতংক সাদ্দাম-সাইফুলের অপকর্মে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা ইয়াবা কারবারে প্রতিবন্ধকতা মনে করে প্রতিপক্ষকে সাজানো মামলায় অহেতুক হয়রানির গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই না। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে মরিচ্যাঘোনা বড়বিলের সৈয়দ আহমদের পুত্র মোঃ সাদ্দাম হোছন (২০), আহমদ হোছন প্রকাশ দুয়াশির পুত্র সাইফুল ইসলাম (২২) কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে এবং মৃত আবুর পুত্র ফরিদ আলম (৪৫) প্রকাশ ভাইয়া চট্টগ্রাম ইউনিভার্সেল জিন্স লিঃ প্রিপোর্ট গার্মেন্টেসে চাকরী করেন। ফরিদ আলম পারিবারিক ঝামেলায় গত এক মাস ধরে বাড়িতে রয়েছে।
গত ১০ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ৫টারদিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর রোডের ফিশারী ঘাটস্থ মোহাম্মদ হোসাইনের পুত্র মোঃ বাদশা (২৬) নামে এক ইয়াবা কারবারী ইয়াবার চালান নিতে মরিচ্যাঘোনা বড়বিল হাজী কবির আহমদের স্ত্রী ও ইয়াবা বিক্রেতা নাজমা আর হাসান সিন্ডিকেটের নিকট ইয়াবার জন্য আসছিল। এসময় সাদ্দাম-সাইফুলের সাথে অনাকাংখিতভাবে কথা কাটাকাটি হয়। কথিত ঘটনার ভিকটিমকে হ্নীলা পানখালী পাহাড়ি ঢালায় নেওয়া, মারধর, অস্ত্র ঠেকানো, ২টি মোবাইল ও পকেটে থাকা ৫হাজার টাকা ছিনতাই, সুয়েটার ছিনিয়ে নেওয়া এবং ১লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবীর কোন ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনায় এলাকার ঝগড়াবাজ ও ইয়াবা বিক্রেতা নাজমা, তার ছেলে ছাগল চোরা লিয়াকত এবং জনৈক হাসান মিলে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। তখন এসআই রাফি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয়পক্ষকে সালিশের জন্য থানায় ডাকেন। উক্ত সালিশে তাদের ইয়াবা কানেকশনের তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে তারা বিচারে হাজির না হয়ে আদালতে গিয়ে মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন একটি মামলা দায়ের করে। এরই প্রেক্ষিতে পিবিআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা করে। আইন-শৃংখলা বাহিনী ও দেশবাসীর প্রতি আমাদের প্রশ্ন স্বামী বিদেশ থাকার পরও হাজীর স্ত্রী কিভাবে প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসা করে এবং সপ্তাহের কদিন ঘরের বাহিরে থাকে তা খতিয়ে দেখা একান্ত দরকার।
প্রকৃতপক্ষে সংবাদের বাদীপক্ষ তাদের ইয়াবা কারবার সহজ করার জন্য পথের কাঁটা দূর করার লক্ষ্যে আমাদের মতো সাধারণ লোকজনকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা ও সংবাদের আশ্রয় নিয়েছে। আমরা এই ধরনের সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত নয়। মুলত উক্ত এলাকায় কারা অপরাধী তা তদন্ত করে দেখার জন্য সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রতি আহবান জানিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত,মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী :
মোঃ সাদ্দাম হোছন
পিতা-সৈয়দ আহমদ
সাইফুল ইসলাম
পিতা-আহমদ হোছন প্রকাশ দুয়াশি
ফরিদ আলম প্রকাশ ভাইয়া
পিতা-মৃত আবুল হোছন প্রকাশ আবু
সাং-মরিচ্যাঘোনা বড়বিল, হ্নীলা, টেকনাফ। ##