বার্তা পরিবেশক :
গত ২ মে (শুক্রবার) স্থানীয় একটি অনলাইন পোর্টালে ” হ্নীলা উলুচামরীতে বসত-বাড়ীতে সংঘবদ্ধ হামলা ও গু*লি*ব*র্ষ*ণে*র অভিযোগ ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সেই সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়।
নিম্নে সেই ঘটনার প্রকৃত বর্ণনা তুলে ধরলাম-
সংবাদ প্রকাশকারী রবিউল আলম ডাক্তার মুফিজের বাড়ি ডাকাতি সহ ইয়াবা, অস্ত্র, ডাকাতি,অপহরণ , চুরি, সরকারি বাগানের গাছ চুরি সহ প্রায় ১৪টি মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি।
সে রোহিঙ্গা ডাকাত এনে এলাকায় অপহরণসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কিছু দিন আগেও জাদিমুরা থেকে একটি মেয়েকে অপহরণ করছিল সে, তখন তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মামলাও হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরো অনেক অভিযোগ আছে টেকনাফ মডেল থানায়।
অপর ঘটনায় কিছু দিন পরে তার বড় বোনের জামাই ইয়াবা শামসুল সহ ঢাকা থেকে একজন তার মাদক ব্যবসার পার্টনারকে এনে রোহিঙ্গা ডাকাত দিয়ে ভীষণ মারধর করে মুক্তিপণ দাবি করে। ঐ লোকটি পরের দিন সকালে তার সহ যোগীদের চোখ ফাকি দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার পুরাতন গ্রাম পুলিশ সিরাজ চৌকিদারের ছেলে মেজবাহউদ্দিন এর সামনে পড়লে তার কাছে আশ্রয় নেই। তারপরে ৯৯৯ কল করে বিষয়টি অবগত করলে পুলিশ এসে মেজবাহউদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে টেকনাফ থানায় নিয়ে যায়। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমাদের সাথে তার মনোভঙ্গ হয় এবং পরবর্তীতে রবি আলম ডাকাত আমাদের হুমকি দিয়ে বলে আমরা পাঁচ ভাই বেশি কথা বললে গুলি করে মারব।
ঘটনার কয়েকদিন পরে রবি আলম মদ খেয়ে তার বাড়িতে নিজের হাতে টিনের দরজায় দুইটি গুলি করে।পরে আমি আর আমার দুই ভাই এবং একজন স্কুল ছাত্র সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ৯৯৯ কল করে তার ছোটভাই (তার অপকর্মের সহযোগী সিফাত) অভিযোগ করে।
পুলিশ ঘটনার সত্যতা জানতে হ্নীলা ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকে ফোন করলে, ইউপি সদস্য আবুল হোছাইন মেম্বার ঘটনাস্থলে কয়েকজন মুরব্বি নিয়ে গিয়ে দেখেন। তদন্ত করে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে ঘটনাটি সম্পূর্ণ নাটক এবং মিথ্যা বলে আখ্যা দেন। এরপরে পুলিশ ওই ছেলেটিকে মিথ্যে অপবাদ না দেওয়ার জন্য বারণ করেন। শুনা যাচ্ছে সেই আলীখালীর ঐ অপহরণ চত্রুের সাথেও সম্প্রীক্ত রয়েছে।তাকে সন্দেহ করার মুল কারণ, গত তিন থেকে চার দিন ধরে রবিউলকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।
একটা মিথ্যা অপবাদ ও সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে নিউজ করে আমাদের সম্মান হানি করার চেষ্টা করছে তার বাবা আব্দুস শুকুর প্রকাশ লেড়ো দালাল।
আমি সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সাথে প্রশাসনসহ সকলকে এই বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী –
মোহাম্মদ মিজান
৬নং ওয়ার্ড, উলুচামরী, হ্নীলা, টেকনাফ, কক্সবাজার।
