বার্তা পরিবেশক : গত ১৯ অক্টোবর প্রবাল নিউজ ডটনেটসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত “হ্নীলায় বিকাশের আড়ালে ইয়াবা পাচার” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা পাওনা টাকা পরিশোধ না করার জন্য কোন ধরনের বক্তব্য ছাড়া মুখোশধারী ইয়াবা কারবারী চক্রের সাজানো চক্রান্ত ছাড়া কিছুই না।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে আমি হ্নীলা চৌধুরীপাড়া মৌলভী ফোরকান মার্কেটের স্বত্তাধিকারীর মালিকানাধীন বিকাশের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত রয়েছি। উক্ত সংবাদের প্রতিবেদক ইয়াছিন আরফাত আমার কর্মস্থলে আসা-যাওয়ার সুযোগে পরিচয় ঘটে। এরই প্রেক্ষিতে একদিন সে আমার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েই আমার মাকে ধর্মের মা ডেকে সম্পর্ক আরো ঘণিষ্ট করে। এই কারণে আমার সরল বিশ্বাসের সুযোগে সে সাংবাদিকতা পেশায় যোগদান এবং ক্যামেরা কেনার জন্য ৫ হাজার, ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা করে বিভিন্ন দাগে বিকাশ দোকানের ১লাখ ২০হাজার ৫শ ৮৩টাকা নেয়। হঠাৎ করে গত ৩/৪ মাস আগে সে আমার দোকানে আসা বন্ধ করে দেয়। তার সাথে মোবাইল চ্যাটিং করে পাওনা টাকা চাইলে সে আমাকে চেনেনা, বেশী কথা বললে জেলের ভাত খাওয়াবে এবং ইয়াবা কারবারী সাজিয়ে পত্রিকা লেখার হুমকি দেয়। এই বিষয়টি হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট বিচারাধীন রয়েছে।
এরই সুত্রধরে প্রকাশিত সংবাদে আমার বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে বলে মনগড়া তথ্য দেওয়া হয়েছে। আমার ফোনে মুলত বক্তব্য নেওয়ার জন্য কেউ যোগাযোগ করেনি। এখন এই বিকাশ ব্যবসা প্রশাসনের কড়া নজরদারীতে রয়েছে। যে সাংবাদিক পরিচয়ে ভাল পরিচয় দিচ্ছে সেই যে প্রকৃত ইয়াবা কারবারী তা এলাকায় প্রকাশ্যে তদন্ত করলে আয়নার মতোই স্পষ্ট হয়ে উঠবে। সুতরাং নিজের অপরাধ ধামা-চাপা দেওয়ার জন্য সংবাদের নামে এসব গাঁজাখোরী গল্প কোন মতেই সমর্থনযোগ্য নয়। সুতরাং আমি এসব বানোয়াট,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে আইন-শৃংখলা বাহিনীকে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দেখার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
মোঃ আয়াজ
কম্বনিয়া পাড়া, হোয়াইক্যং, টেকনাফ। ##
