হ্নীলায় বসত-ভিটা বিরোধে আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য ; দেওয়ালের ঘেরা ভাংচুরের অভিযোগ!

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় বসত-ভিটা বিরোধে মামলা-মোকর্দ্দমার জেরধরে আদালতের জারীকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে এক ব্যক্তির বসত-বাড়ির দেওয়ালের ঘেরা ভেঙ্গে দেওয়া ও চাঁদা দাবীর অভিযোগ তুলেছেন ভূক্তভোগী পরিবার।

জানা যায়,হ্নীলা আলী আকবর পাড়ার মৃত ইসলাম মিয়ার পুত্র আব্দুল মোনাফ প্রকাশ মান্নান ১৯৯৭ সালে মৃত আবু বক্কর গংয়ের ছেলে নুর আহমদ হতে ক্রয়সুত্রে দক্ষিণ হ্নীলা মৌজার আরএস খতিয়ান নং-১৮১৪, এমআরআর-১৯৪৭, আরএস দাগ-৮১০,৮১২ দাগাদির বিএস ১২২৫নং খতিয়ানের বিএস দাগ নং-২২৮৫,২২৮৮ দাগাদিও আন্দর তুলনামূলক দিয়ারা খতিয়ান নং-৪০০৫, দিয়ারা দাগ নং-৩৫২৩, ৩৭৭৬ দাগের ৪০শতক জমিতে ঘর তৈরী করে দেওয়াল ঘেরা দিয়ে বসবাস করে আসছে।

চলতি বছরের ফেব্রæয়ারী মাসে প্রতিবেশী মৃত কালু মিয়ার পুত্র ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ ছৈয়দ মিকার, আব্দু শুক্কুর, ভূট্টো প্রকাশ মোহাম্মদ হোছন, বাঁ^চা মিয়া, ছৈয়দ আহমদের পুত্র রাসেল, ফয়সাল, বাঁচা মিয়ার পুত্র নুরুল ইসলাম ও নুরুল আমিনের সাথে জমি বিরোধের সৃষ্টি হয়। এরই সুত্রধরে ছেয়দ আহমদ গং তাদের দাবীকৃত জমি দখলে নেওয়ার জন্য ইট,বালি মওজুদ করে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। এরই জেরধরে আব্দুল মোনাফ আইনের আশ্রয় নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত তা আমলে নিয়ে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয়পক্ষকে ১৪৪ধারা প্রদান করেন।

গত ১১ আগষ্ট দুপুরে ছৈয়দ আহমদ গং আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আব্দুল মান্নানের নিকট হতে ৫লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে বসত-বাড়ির দেওয়াল ভাংচুর করেছে বলে দাবী করেন। এই ব্যাপারে সে আদালতে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এই ব্যাপারে অভিযুক্ত ছৈয়দ মিকার বলেন,গত ১০বছর ধরে আব্দুল মোনাফের সাথে আমার সীমানা বিরোধ চলে আসছে। সে বিষয়ে মামলা মোকর্দ্দমা চলে আসলেও সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ হয়। তা নিষ্পত্তি হয়ে সীমানা দেওয়ার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে ছিল। ইতিমধ্যে আব্দুল মোনাফের মামলার সুত্রধরে হ্নীলা ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে বিষয় নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আগামী ১৮ আগষ্ট (মঙ্গলবার) উভয়পক্ষকে হাজির থাকার নির্দেশ দেন। কিন্তু গত ১০ আগষ্ট রাতে মোনাফ গং আমার সীমানা দেওয়ালের লোহার রড কেটে নেয়। তাতে সকালে আমার ছেলেরা ক্ষুদ্ধ হয়ে মোনাফের সীমানা দেওয়ালের কিছু অংশ ভাংচুর করে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে ছেলেদের নিষেধ করে নিয়ে যায়। ###