বার্তা পরিবেশক : গত ২৫নভেম্বর টেকনাফ টুডে অনলাইনসহ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন অনলাইন এবং ২৬ নভেম্বর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত “ইয়াবা-অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি ; পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা দাবী” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা বিশেষ মহলের ইন্দনে ইয়াবার কালো টাকায় অপরের সম্পত্তি কিনতে ব্যর্থ হয়ে প্রকৃত মালিকদের হয়রানি করে অপরের জমিজমা জবর দখলের চক্রান্ত ছাড়া কিছুই না।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ১৯৯০ সালের দিকে অনুপ্রবেশকারী বার্মাইয়া মৃত আবুল হোসেনের পুত্র বার্মাইয়া আব্দুল্লাহ ছোটকালে এসে পশ্চিম গাজীপাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করতে থাকে। হঠাৎ করে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় আদম পাচার শুরু হলে কথিত এই আব্দুল্লাহ মানব পাচারে জড়িয়ে পড়ে। এই মানব পাচারে সংশ্লিষ্টতার কারণে আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়, তালিকাভূক্ত মানব পাচারকারী হয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদের শিরোনাম হয়ে দাড়ায়। সরকারের মানব পাচার বিরোধী অভিযানে সেই আব্দুল্লাহ কৌশল পাল্টিয়ে পা দেয় সর্বনাশা ইয়াবা চোরাচালানে। সে ইয়াবা কারবার করার পর প্রচুর নগদ টাকা হাতে পেয়ে বনে যান ইয়াবা কিং। এক সময় ইয়াবা মামলায় সেই আব্দুল্লাহ কারাভোগ করে। ৬/৭ মাস জেল খাটার পর এলাকায় এসে এখনো ইয়াবা কারবার চালাচ্ছে। তার ইয়াবার এই কাঁচা পয়সায় তার বাড়ির পাশে থাকা জমি আমাদের নিকট হতে কেনার চেষ্টা করে। আমরা তাকে জমি বিক্রি না করায় আমাদের মতো সাধারণ কৃষক ও মুদি দোকানদারদের হয়রানির চক্রান্ত করে আসছে।
যা এলাকার সবাই অবগত রয়েছে। আমরা ইয়াবা কারবারী ও অস্ত্রবাজ না যে কাউকে ইয়াবা অথবা অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে হবে। পুলিশের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই তাই পুলিশের নামে চাঁদা দাবী করা নিজেদের দেউলিয়াপনা ছাড়া কিছুই না। প্রকৃতপক্ষে এলাকায় কারা অপরাধী তা এলাকার জনপ্রতিনিধি ও পুলিশসহ সবাই জানে। আর আমরা সংবাদ সম্মেলনের নামে এই ধরনের পরিকল্পিত জঘন্য অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সবাইকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
মমতাজ
পিতা-এজাহার মিয়া,
মোঃ রফিক
পিতা-আবুল কাশেম,
হামিদ হোছন
পিতা-মৃত শামসুল আলম,
সরওয়ার
পিতা-ফকির মিস্ত্রী
সর্বসাং-পশ্চিম গাজীপাড়া, হ্নীলা, টেকনাফ। ###
