শাহপরীরদ্বীপের ২ জেলের জালে ইলিশে ভরা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৯ years ago

শামসুদ্দিন, টেকনাফ :
এখন ইলিশের ভরা মওসূম। দেশের সর্বদক্ষিণ সীমান্ত টেকনাফ একটি মৎস্য জোন হিসাবে খ্যাত থাকলেও জেলেদের অতীতে ইলিশের ভাগ্যে জুটেনি। শাহপরীরদ্বীপে বাজার পাড়া নিবাসী মৎস্যজীবি জেলে নুর হোসেন ও দিল মোহাম্মদ দুইটি ফিশিংবোট গত ২৯ জুলাই সেন্টমার্টিনদ্বীপে দক্ষিণ পশ্চিমে গভীর সাগরে মাছ আহরন করতে যায়। সাগরে জাল ফেলার পর কয়েক ঘন্টার মধ্যে জাল ইলিশ ভরে যায়। পরে জেলেরা জাল উঠাতে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশে ভরা জাল। এ দৃশ্য দেখে জেলেরা আতœহারা হয়ে পড়ে। এ দুইটি ফিশিংবোটর জালে ৬ হাজার ইলিশ ধরা পড়ে। ফলে তাদের ভাগ্যে নেমে আসে পরিবর্তন। প্রায় ২৭ লাখ টাকার মূল্যে ইলিশ মাছের মূল্য নির্ধারণ করে মাছের মালিকেরা। এ মাছ ক্রয় করেন টেকনাফ মৎস্য ব্যবসায়ীর সমিতির সদস্য আরফাত আহমদ ও সাবরাং এর ছৈয়দ আলম, হালিম ও লালু।

মৎস্যজীবি নুর হোসেন ও দিল মোহাম্মদ জালাল বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা সাগরে মৎস্য আহরন করতে গিয়ে খালি হাতে প্রায় ফিরে আসি। এতে আর্থিকভাবে লোকসান থাকায় আমরা সাগরে মাছ আহরণ করতে গেলে ইলিশের ভাগ্যে নিয়ে ফিরে আসি। শাহপরীরদ্বীপের অন্যান্য জেলেরা সাগরে ইলিশ মাছ ধরা না পড়লে ও কিন্তু তাদের ভাগ্যে ইলিশ মাছ ধরা পড়ার পর এ দৃশ্য দেখার জন্য লোকারন্য। আহরিত ৬ হাজার ইলিশ মাছ তাৎকনিকভাবে ২৭ লাখ টাকা ক্রয় করে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে আড়তদারের কাছে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, সরকার ইয়াবা ঠেকাতে নাফ নদীতে জেলেদের মাছ আহরণ নিষেধাজ্ঞা জারী করার পর অবশেষে ইলিশের ঝাঁক সাগরে ছড়াছড়ীতে ঐ দুই জেলে পরিবারের ভাগ্য ফিরে যায়। এমন মন্তব্য অনেকের।