আজিজ উল্লাহ : টেকনাফের বাহারছড়া হতে পারিবারিক স্বচ্ছলতা ফেরাতে সাগর দিয়ে চোরাই পথে মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারী এক যুবক রক্ষক্ষরণ ও হার্টস্ট্রোকে মৃ্ত্যুবরণ করার ৩মাস ৬দিন পর বাড়িতে এনে দাফন করা হয়েছে।
২০ আগষ্ট বাদে আছর টেকনাফের বাহারছড়া পশ্চিম শামলাপুরে স্থানীয় গোরস্থানে মালয়েশিয়া ফেরত স্থানীয় ছৈয়দ আলমের পুত্র মৃত আরিফ উল্লাহকে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
সে চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর শহরের ভাড়াবাসায় রাতে নাকে-মুখে রক্তক্ষরণ এবং হার্টস্ট্রোক করে মারা যায় টেকনাফের উপকূলীয় বাজারছড়া শামলাপুর পশ্চিম পাড়ার ছৈয়দ আলমের বড় ছেলে আরিফ উল্লাহ (২২) ইন্তেকাল করেন। সে পরিবারের ২ভাই এবং ৪ বোনের মধ্যে সবার বড়। বাপের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা কাটাতে দালালের খপ্পরে পড়ে ২০১৫ সালে মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়।
এদিকে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে বিমান ও যানবাহন যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় এবং পারিবারিক দৈন্যদশার কারণে এই যুবকের মৃতদেহ আনতে বিলম্ব ঘটে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর আন্তরিক সহায়তায় গত ১৯ আগষ্ট সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে আরিফের মৃতদেহ দেশেআনা হয়।
যাবতীয় প্রশাসনিক কার্য্যক্রম শেষে ২০ আগষ্ট বিকাল ৪টারদিকে তার মৃতদেহ বাড়িতে আনা হয়। বাদে আছর স্থানীয় গোরস্থানে নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
