বার্তা পরিবেশক : গত ১৩ নভেম্বর নয়া আলো ডটকম, সিবিএন, ইনানী নিউজ ও এনএস নিউজ টিভি অনলাইনসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত “মাদকের টাকা যোগান দিতে পৈত্রিক জমি বিক্রির পায়তারা ; বাঁধা দেওয়ায় ছোট ভাইয়ের নেতৃত্বে বড় ভাইয়ের উপর হামলা” শীর্ষক বানোয়াট, ভিত্তিহীন, প্রতিহিংসামুলক এবং উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর জন্য প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি গত ২১বছর ধরে একজন গ্রামের সাধারণ মুদি দোকানদার। এই প্রসঙ্গে আমি এলাকাবাসী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সুশীল সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রকৃত ঘটনা সবাইকে তদন্ত করে সত্য উদঘাটনের জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।
সংবাদে উল্লেখিত কথিত হামলার শিকার রমিজ উদ্দিন মুলত একজন এলাকায় স্বীকৃত ইয়াবা কারবারী, মামলাবাজ, প্রতারক এবং মাদকসেবী। আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি গত ১২ নভেম্বর রাত ৩টারদিকে হ্নীলা পানখালী ঢালাপথ সংলগ্ন এলাকায় জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে ইয়াবা সেবন করে ফেরার পথে মাদকসেবী দু‘গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে পাশর্^বর্তী জনগণ হৈ ছৈ শুনে নিশ্চিত হন। তাকে তাঁর পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে নিয়ে আসে বলে লোকজন থেকে শুনে অবগত হই। এরই মধ্যে এই মামলাবাজ ও ইয়াবা কারবারী রমিজ উদ্দিন আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিজে একা ভোগ করার জন্য কৌশলে এই ধরনের মিথ্যা নাটকের আশ্রয় নিয়েছে।
উল্লেখ্য, সে হ্নীলা শাখার রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর ম্যানেজার থাকার সুযোগে গ্রাহক হতে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আতœসাৎ করে আতœগোপনে চলে যায়। বেশ কিছুদিন আতœগোপনে থাকার পর হ্নীলা উলুচামরী এলাকার কালা মিয়ার পুত্র লালাইয়ার সাথে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়ে। পরে লালাইয়া বন্দুক যুদ্ধে নিহত হলেও রমিজের নিকট হতে মাদকের বাবদ পাওনা টাকার জন্য নিহত লালাইয়ার স্ত্রী দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এই মহিলার উৎপাত সহ্য করতে না পেরে কুমিল্লায় পালিয়ে যায়। সেখানে আমিনা নামে এক মহিলাকে ২য় স্ত্রী হিসেবে বিয়ের পর পুনরায় কৌশলে টেকনাফ-কুমিল্লা কেন্দ্রিক ইয়াবা পাচার চলতে থাকে। এই মাদকের টাকা দিয়ে কক্সবাজার শহরে একাধিক আলিশান বাড়ি ভাড়া নেয় এবং প্রভাবশালী নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে। তার ইয়াবা কারবারের চরম জোয়ারের সময় তার মাদকের চালান বহন করতে গিয়েই সম্মন্ধি হোয়াইক্যং নয়াপাড়ার মৃত মৌলভী বশির আহমদের পুত্র হাফেজ মুফিজ আলম এক সময় কক্সবাজার সদর থানায় আটক হয়। কিছুদিন হাজত বাসের পর উক্ত মুফিজ জামে বেরিয়ে আসে। এই মামলা এখনো চলমান আছে।
এক পর্যায়ে মাদক কারবারের টাকাকে বৈধতা দিতে কৌশলে ঊনছিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পুরো এলাকার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বিক্রি করতে বড় ভাই শব্বির আহমদকে
রাজি করতে না পেরে মারধর করে। কিছুদিন পর তাকে যাদুমন্ত্র করে অচল করার পর পেশী শক্তির দাপট খাটিয়ে বৃদ্ধ, ভাবী ফাতেমা, ছেলে-মেয়েসহ সবাইকে নিয়ন্ত্রণে নেয়। কিন্তু অচল বড় ভাই শব্বিরকে আমি ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় এবং চৌকিদারের সহায়তায় উদ্ধার করে নিজের বড় ভাইকে নিয়ে চাচাত ভাই আইয়ুব-লালুর বাড়িতে হেফাজতে নিয়ে লালন-পালন করি। বড় ভাই শব্বির রমিজের উৎপাত থেকে বাঁচতে ইতিপূর্বে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। এতেই রমিজ ক্ষুদ্ধ হয়ে আইয়ুবের উপর মিথ্যা দোষ চাপাচ্ছে।
অপরদিকে পৈত্রিক সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে পারিবারিক সালিশ হলে আমার পিতা মৌলভী আবুল মঞ্জুর ইসলামী শরীয়ামতে আমাকে ৩কানি জমি ও ২০শতক জমিতে ১টি বাড়ি করে দেওয়ার অঙ্গিকার করেন। কিন্তু এই মামলাবাজ রমিজ পৈত্রিক এসব সম্পত্তি নিজে একাই ভোগ করার জন্য বৃদ্ধ পিতাকে চাপের মধ্যে জিম্মি করে রাখেন। যার কারণে আমি পরিবারের ছোট ছেলে হলেও বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমি গত ৬মাস ধরে চাচার বাড়িতে আশ্রয়ে রয়েছি। তাই আমি সংবাদের নামে মিথ্যা গল্পের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দেখে আমার মতো অসহায় ব্যক্তিকে ষড়যন্ত্রের জাল থেকে বের করার জন্য উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
মোহাম্মদ আমিন প্রকাশ ভূলু সওদার
পিতা-মৌলভী আবুল মঞ্জুর
সাং-পশ্চিম পানখালী, হ্নীলা, টেকনাফ, কক্সবাজার।
###
