টেকনাফে বিক্রিত জমিতে ফের মালিকানা দাবীর অভিযোগ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

নিজস্ব প্রতিনিধি :
টেকনাফের দমদমিয়ায় বিক্রিত জমি ফের মালিকানা দাবীর অভিযোগ উঠেছে। এতে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টিসহ নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে উক্ত মহলটির বিরুদ্ধে।
জানা যায়, বিগত ২০১৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ৮টি পৃথক কবলায় দক্ষিন হ্নীলা মৌজার দমদমিয়া এলাকার ৬ একর ৮২ শতক জমি বিক্রি করেন মৃত শাহ আলম কোম্পানীর ওয়ারিশ মুহাম্মদ আলী নেওয়াজ, মুহাম্মদ শাহেদ আলম, ফোরকান আহমদ, শাহিনা আক্তার, হাকিমা শাহিদা আলম, কামরুন্নেছা, জান্নাতুল ফেরদৌস, মোহাম্মদ শাহিন আলম, রহিমা আক্তার, সায়রা বেগম ও সানজানা নেওয়াজ। পরবর্তীতে উক্ত জমির বিএস ও দিয়ারা নামজারী খতিয়ান সৃজন করেন ক্রেতা সাইফুল করিম এবং তা ইসলামী ব্যাংক টেকনাফ শাখায় বন্ধক দেন। সাইফুল করিমের মৃত্যুর পর পরিবার দেনা শোধ করতে না পারায় ব্যাংক উক্ত জমি বিক্রি করেন লেদা এলাকার ব্যবসায়ী বোরহান উদ্দিনের নিকট। বোরহান উদ্দিন উক্ত জমি ক্রয় করে পরে ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জনের নিকট বিক্রি করতে থাকেন।
বোরহান উদ্দিন অভিযোগ করেন, ইসলামী ব্যাংক টেকনাফ শাখা তাকে জমি রেজিষ্ট্রিসহ জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন। অথচ রহিমা আক্তারসহ কয়েকজন ওয়ারিশ বিক্রিত জমি পুনরায় মালিকানা দাবী করে প্রতারণার মাধ্যমে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টিসহ মিথ্যা অভিযোগ করে যাচ্ছেন। অথচ সাইফুল করিমের সাথে রহিমা আক্তারসহ অন্যরা ২০১৬ সালে টেকনাফ সাফ রেজিষ্ট্রি অফিসে ১২২১ নং দলিলে ৮৩.৫০ শতক জমি বিক্রির সাফ কবলা সম্পাদন করেন। এরপরও তাদের যদি কোন জমি থেকে থাকে তাহলে তারা আইন আদালতের আশ্রয় নিতে পারে। কিন্তু তারা তা না করে ব্যাংক কর্তৃক বিক্রিত ও দখলীয় জমিতে লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করে যাচ্ছেন।
এব্যাপারে জানতে চাইলে রহিমা আক্তার মোঠোফোনে জানান, বিক্রিত জমির বাইরে তাদের আরো জমি রয়েছে তাই তারা জমি দাবী করছেন।