বার্তা পরিবেশক : গত ৫ জুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল টেকনাফ টুডে ডটকম এ প্রকাশিত “টেকনাফের শাপলা চত্বর আল আল মদিনা গ্যাস হাউসের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় গডফাদাররা আইনের আওতায় আসবে কি” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি আমাদের গ্রাহকসহ সর্বসাধারণের জ্ঞাতার্থে প্রকৃত ঘটনার ব্যাখ্যা প্রদান করছি।
প্রথমত, আমরা আল মদিনা গ্যাস হাউসের মালিক পক্ষ কোনভাবেই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত নই এবং অতীতে কখনো এই ঘৃণিত ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলাম না। ভবিষ্যতেও জড়িত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
প্রকৃতপক্ষে আমাদের গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত ট্রাকের চালক ও হেলপার আমাদের অগোচরে ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হন।
উক্ত পরিবহন মালিকের সাথে আমাদের এই বিষয়ে লিখিত চুক্তি রয়েছে যে, আমাদের গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহনের যানবাহনের সাথে কোন ধরনের অবৈধ পণ্যের চালান নিতে পারবেনা। যদি অবৈধ কোন পণ্য পরিবহন করে তবে তার দায় দায়িত্ব উক্ত যানবাহনের মালিক ও চালক হেলপারকে বহন করতে হবে।
ইতিমধ্যে আটক হওয়া চালক আমাদের কাছে স্বীকার করেছে টেকনাফ থেকে খালি সিলিন্ডার নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে সে তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে অন্য একটি সিলিন্ডার গাড়ীতে তুলে নেয়।
(যার মোবাইল অডিও রেকর্ড আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।)
আমাদের চালানে ছিল ৩৮৩টি খালি সিলিন্ডার। যা আমরা আদালত থেকে সেই ৩৮৩টি সিলিন্ডার বুঝে নিই।
অতিরিক্ত যে সিলিন্ডারটি সে পথিমধ্যে গাড়ীতে তুলে এবং যেটিতে ইয়াবা পাওয়া যায় সেটি আমাদের চালানের সিলিন্ডার নই।
আলমদিনা গ্যাস হাউসের সিলিন্ডার বোঝাই গাড়ীতে আমাদের (মালিক পক্ষের) অগোচরে ইয়াবা পরিবহন করে যানবাহনের মালিক পক্ষ আমাদের সাথে করা চুক্তি লংঘন করেছে। সেহেতু আমরা যানবাহনের মালিকের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে প্রাথমিকভাবে শালিস বিচার প্রার্থনা করলে বর্তমানে তা বিচারাধীন রয়েছে। তবে যানবাহরেন মালিক নানা তালবাহনা করে যাচ্ছে।
অতএব উক্ত সংবাদের কাউকে বিভ্রান্ত না হতে আমরা বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
নিবেদক
রাসেল ও ইসহাক
প্রোপাইটর
আল মদিনা গ্যাস হাউস
টেকনাফ।
