প্রকাশিত সংবাদের একাংশে দিল মোহাম্মদ দিলুর প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

গত ২১ মে টেকনাফ টুডে ডটকম ও আজকের দেশবিদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত “একসময়ের মালয়েশিয়া এয়ারপোর্ট কাটাবনিয়া-কচুবনিয়ার মানব পাচারকারীরা ফের সক্রিয়” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদের একাংশে আমাকে মানব পাচারের সাথে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এলাকার দীর্ঘদিনের পারিবারিক শত্রুরা সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য দিয়ে উক্ত সংবাদে মানব পাচারকারী সিন্ডিকেটের সাথে আমার সম্পর্ক রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে বলে আমার মনে হয়েছে। কাজেই আমি সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানাচ্ছি পাশাপাশি এব্যাপারে আমার বক্তব্য নীচে তুলে ধরলাম যাতে প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনীসহ সকলের বিভ্রান্তি দুর হয়।

টেকনাফের সাবরাং তথা টেকনাফের প্রায় সকলে কমবেশী অবগত রয়েছেন যে, বেশ কয়েক বছর পূর্বে কাটাবনিয়ার একটি প্রভাবশালী মহল জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমার বড় ভাই মৌলভী মনির সহ আমাদের পরিবারের সদস্যদের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মম হামলা চালিয়েছিল। এতে আমি সহ আমার পরিবারের অনেকে জখম প্রাপ্ত হয়। যার আঘাত আমরা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছি। মূলত সেই প্রভাবশালী মহলটি এখনো আমাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

গত ২০ মে কাটাবনিয়া এলাকার আব্দুল মজিদের বাড়ি ১১ রোহিঙ্গা নারী পুরুষকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে উক্ত ঘটনার সাথে আমার ও আমাদের পরিবারের কোন যোগসাজস নেই। রায়তি ভাড়াটিয়া আব্দুল মজিদের জমির মালিক হিসাবে আমাদের ৩ ভাইয়ের নামোল্লেখ করা হয়েছে। মূলত উক্ত জমিটি পারিবারিক ভাগবন্টনে আমাদের এক বোন হাফেজা খাতুনের ভাগে পড়েছে এবং সেই জমির মালিক আমাদের সেই বোন। আমরা ভাইয়েরা সেই জমির মালিক নই। তাছাড়া মজিদের বাড়ি থেকে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করার তথ্যটিও সঠিক নয়। মূলত মজিদের বাড়ির পাশে অন্য একটি বাড়ি থেকে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করা হয়েছিল বলে সবাই অবগত রয়েছেন। কাজেই এখানে আমাদের জড়িত হওয়ার প্রশ্নই আসেনা।

এছাড়া সংবাদের আরেক অংশে জনৈক আব্দুল্লাহর সিন্ডিকেটের সাথে আমাকে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাও সত্য নয়।
সংবাদে উল্লেখিত আব্দুল্লাহর সাথে আমার ন্যুনতম কোন সম্পর্ক নেই। প্রয়োজনে তদন্ত করে দেখা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। তাছাড়া আমি বর্তমানে ড্রাইভিং পেশায়ও নিয়োজিত নেই। ভাগ্য অন্বেষনে আমি একসময় বিদেশ পাড়ি জমিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরে নিজস্ব রেন্ট এ কার ব্যবসা শুরু করি পরে গাড়িটি বিক্রি করে বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ পরিচালনা করে আসছি।

মানব পাচার, মাদকসহ কোন ধরনের অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে আমার অতীতে কোন সম্পর্ক ছিল না। বর্তমানেও কোন সম্পর্ক নেই। মানব পাচার ও মাদক সহ যে কোন ধরনের অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান যে কোন অভিযানে আমরা আইন শৃংখলা বাহিনীকে সাধুবাদ জানাই। মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় সোচ্চার ছিলাম। মূলত আমার বড় ভাই মৌলভী মনির ও আমাদের প্রতিবাদের কারনে আমরা এলাকার মানব পাচারকারীদের শত্রু হয়েছি।

কাজেই আমি উক্ত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও এব্যাপারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

দিল মোহাম্দ দিলু
কাটাবনিয়া
সাবরাং