গত ১১ মে/১৮ দৈনিক ইত্তেফাকসহ কয়েকটি অনলাইনে প্রকাশিত “দেশে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে কক্সবাজারের ১১৫১ জন, সারাদেশে ইয়াবার ৮০ ভাগ সরবারহ হয়। টেকনাফ থেকে গডফাদার ৬০ জন আইন শৃংখলা বাহিনীর অভিমত, কক্সবাজার নিয়ন্ত্রন করতে পারলে সারাদেশের ইয়াবা আগ্রাসন নিয়ন্ত্রন সম্ভব”, শীর্ষক সংবাদ খানা আমার দৃষ্টিগোছর হয়েছে। সংবাদের একাংশে আমাকে ৬০ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী গডফাদারের নামের তালিকায় আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যাহা সত্যের লেশমাত্র নেই। আমার প্রতিপক্ষ আমার বৈধ লবণ ও চিংড়ী ব্যবসা এবং সামাজিক মর্যাদার প্রতি ঈর্শান্নিত হয়ে আইন শৃংখলা বাহিনী ও সংবাদকর্মীদের কাছে তথ্য সরবারহ করে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে ঘোলাও পানিতে মাছ শিকার করছে। যার সাথে আমার সম্পৃক্ততা আদৌ সত্য নয়। এ প্রসংগে আমার বক্তব্য, অতীতে আমি যাই করিনা কেন? বর্তমানে অর্থাৎ গত ৫ বছর ধরে আমি নিজস্ব ও বর্গা ৩শত কানি জমিতে লবণ ও চিংড়ী উৎপাদন করে বৈধ উপায়ে ব্যবসা করে আসতেছি। এছাড়া আমার নিজস্ব চিংড়ী প্রজেক্ট রয়েছে। বর্ষামওসূমে চিংড়ী ও লবণ মওসূমে এ দুইটি শিল্প উৎপাদন করে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনে দেশের চাহিদা পূরণে আমরণ সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। এমতাবস্থায় আমি মাদককে মনে প্রাণে ঘৃনা এবং জড়িতদের সামাজিকভাবে বয়কট করি। একশ্রেণী স্বার্থন্বেসীমহল আমার মাধ্যমে ফায়দা হাসিল করার উদ্দেশ্যে এ ধরণের অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। অতএব, প্রকাশিত আংশিক সংবাদখানা মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যমূলক। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
(আব্দুর রহমান)
মৌলভী পাড়া
টেকনাফ সদর ইউনিয়ন,
টেকনাফ, কক্সবাজার।
