আজিজ উল্লাহ, টেকনাফ : টেকনাফ বাহারছড়া উত্তর শিলখালী মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন চারা ঝাউবন রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কেটে উজাড় করে দিচ্ছে।
জানা যায়,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিলখালী মেরিনড্রাইভের পশ্চিম পাশে প্রায় ২.০০ একর সরকারি খাসজমিতে গতবছর ঝাউগাছের চারা রোপণ করেন।চারা ঝাউগাছ মাত্র বাড়তে শুরু করেছে এখনো যেন মাটির মমতায় জড়িয়ে আছে তেমন বড় হয়নি এরই মধ্যে সেনাবাহিনীর সযত্নে বেড়ে উঠা দৃষ্টিনন্দন সবুজের সমারোহ চারা ঝাউবাগান এলাকার কিছু মাদকসেবী ও কাঠ চোররা মিলে রাতের আধাঁরে ধ্বংস করে যাচ্ছে। সেনাবাহিনী মেরিবড্রাইভের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় রোপণ করেছে ঝাউগাছ।দিনদিন সেই ঝাউবন উজাড় করে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন দুয়েক বছর আগে ঠিক এলাকায় শিলখালী সমুদ্রের তীরে বনবিভাগ কর্তৃক রোপিত প্রায় ৩ হাজার বড় বড় ঝাউগাছ কেটে পুরা ঝাউ বাগান উজাড় করে দিয়েছে দুষ্কৃতকারী মাদকসেবী কাঠ চোরারা যেখানে ৩ হাজার ঝাউগাছ ছিল সেখানে মাত্র ৮টি ঝাউগাছ রয়েছে। এই ছোট ঝাউবাগান একই কায়দায় উজাড় করে দিচ্ছে দুর্বৃত্তরা।ফলে এলাকার পরিবেশের বির্পযয়সহ সমুদ্র তীরের বালি ক্ষয়রোধ হচ্ছে যার ফলে প্রাকৃতিক দূর্যোগ জলোচ্ছ্বাস কিংবা বন্যা ঐ এলাকার সমুদ্র তীর ঘেষে পানিতে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই ব্যাপারে বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ উদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,যারা সরকারি বন পরিবেশ ধ্বংস করে যাচ্ছে তারা দুর্বৃত্ত তাদের খোঁজ নেয়া হবে ধরা খেলে বনআইনে মামলা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
উপকূলীয় শিলখালী ক্যাম্পের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহফুজ আলমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, সমুদ্র তীরের ঝাউগাছ হোক কিংবা পাহাড়ের গাছ যে বা যারা কাটুক তাদের বিরুদ্ধে বন কর্মকর্তারা পরিবেশ ও বন আইনে ব্যবস্থা নিবেন, তবু মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন চারা ঝাউবাগান টি সেনাবাহিনী উপকূলীয় রেঞ্জের অফিসে বুঝিয়ে দেয়নি তারপরও আমরা যেহেতু ঝাউবনের দেখাশোনা করি নৈতিক দায়িত্ব থেকে সেনাবাহিনীর কর্তৃক রোপিত বাগানের কর্তনকারীদের ধরা হবে বলে জানান।
