নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠত টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের
ভোট পূর্ন গণনা, ইভিএম পরীক্ষা, ভোটের প্রিন্টেট ফলাফল না দেওয়া, গেজেট ও শপথ বাক্য স্থগিত করা সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
আজ ৫ ডিসেম্বর কক্সবাজার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন কাউন্সিলর প্রাথী সৈয়দ আলম।
এতে জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
আদালত বিবাদীদের নোটিশ জারি করেছেন।
অভিযোগে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রয়োজনে অনিয়ম শনাক্ত করার ও আবেদন করা হয়।
এছাড়া বুয়েটের অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দ্বারা ইভিএম মেশিল পরীক্ষা, এজেন্টদের বের করে দেয়া সহ সহ সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে ভোট পূন গণনার দাবী জানানো হয়।
এতে বিভিন্ন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এজেন্টের প্রিসাইডিং অফিসারের কক্ষে যেতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
৫ নং ওয়াডের টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন রিসোর্স সেন্টার কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।
এছাড়া বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জোবাইর হাবিব এ কেন্দ্রে সার্বক্ষনিক দায়িত্বে ছিলেন।
বাদীর আইনজীবি এডভোকেট তাওহীদুল আনোয়ার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য ইভিএম মেশিনে অনুষ্ঠিত ভোটে স্বল্প সময়ে মেশিন প্রিন্টেড ফলাফল দেয়ার নিয়ম থাকলেও প্রিন্ট কপি এজেন্টদের না দেখিয়ে প্রায় দুই ঘন্টা পর হাতে লিখিত ফলাফল ঘোষনা করেন প্রিসাইডিং অফিসার মাহবুবুর রহমান। এতে রেজাউল করিম মানিককে কাউন্সিলর নির্বাচত ঘোষনা করা হয়।
এর আগে বিকাল ৪টায় সকল সাংবাদিককে কেন্দ্রের বাউন্ডারীর বাইরে বের করে দেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জোবাইর হাবিব।
