মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী – চোরাচালান ও মাদকের প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে হুন্ডি ব্যবসা। অর্থনীতির স্বচল চাকা অচল ও মাদক নির্মূলের একমাত্র উপায় হুন্ডি নামক কালো ব্যবসা। এ তথ্য অপরাধ বিশ্লেকদের মতে। তথ্য মতে মাদক বা ইয়াবার বিপরীত বিশীরভাগ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে মিয়ানমাবের মাদক ব্যবসায়ীর হতে চলে যাচ্ছে। যার প্রক্ষিতে সীমান্তের স্থল ও নৌপথে মাদক এসে গোটা বাংলাদেশে সয়লাব হয়ে যচ্ছে। এর ফলে যুব সমাজ মাদকের শিকারসহ নানা অপকর্ম ও অশ্লীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। টেকনাফ হচ্ছে মাদকের গেটওয়ে। এটি মাদকের ট্রানজিট হিসেবে খ্যাত থাকলে ও এটি দমন সংশ্লিষ্ঠরা তেমন সাফল্য অর্জন করতে পরেনী। বরং এর প্রধানতা ক্রমান্নয়ে বাড়ছে। ১৯৯০ সাল থেকে মাদকের সাথে যুক্ত হয়েছে ইয়াবা নামক মরণ নেশা। সংশ্লিষ্ঠ তথ্য অনুযায়ী ১৯৯৬ সাল থেকে ইয়াবার প্রবনতাটি বৃর্দ্ধি পেয়ে আসছে। বর্তমান এর প্রধানতা ভয়াবহতা রূপ নিয়েছে। এমতাবস্থায় এটি এখন জাতিয় সমম্যায় রূপ নিয়েছে। যাহা দমনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরের লোকেরা এক্কাটা হয়ে কাজ করছে। চোরাচালান দমনে সীমান্ত বিজিবি। কোষ্টগার্ড এ দুইটি বাহিনি একাজে নিয়োজিত থাকলে ও এর ফাকে চলে আসে মাদক বা ইয়াবার চালান। পুলিশের তথ্য মতে মাদক বা ইয়াবার কারণে সীমান্ত নানা অপকর্ম অশ্লীলতা বাড়ছে এবং এর ফলে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটছে। এটি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশ রীতিমতো বেগ পাচ্ছে। এ কারণে পুলিশ অন্যান্য মামলা তদন্ত করে এবং আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। টেকনাফ মাদকে ডুবে যাওয়ার উপক্রম। এর সাথে বেশীর ভাগ জড়িত ব্যবসায়ী যুবকেরা। অনুসন্ধানী রিপোটে এ তথ্য ভেসে উঠে। তথ্য মতে টেকনাফ সীমান্তে ছোট বড় ১৫ টি হুন্ডি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করেছে। মাদক সন্ত্রাটদের সাথে রয়েছে অর্থ লেনদেনের সখ্যাতা। সংশ্লিষ্ঠ সূত্র অনুযায়ী মাদক বা ইয়াবার বিপরীত প্রতি মাসে টেবনাফ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে ৫০ কোটি বাংলা টাকা নিয়ে নসরে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এসব অর্থ লেনদেন বেশীর ভাগ হয়ে থাকে বিভিন্ন বেসরকারী ব্যাংকের সাথে। অন্যদের মতে মাদক রোধের পাশাপাশি হুন্ডি ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসলে এর ভয়াবহতা অনেকাংশে কমে যাবে। এ হুন্ডি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ না করে শুধুমাত্র মাদক ব্যবসায়ীদের আটক এবং কথিত মাদক যুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের হত্যার প্রচলিত ভাষ্যনুযায়ী সাপ মেরে লেজে প্রাণ রাখার ন্যায়। তাই মাদক বা ইয়াবা রোধের সাথে অবশ্যই হুন্ডি ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শেষ পর্যন্ত সরকার মাদকের ভয়াবহতা রোধে মাদকের মৃত্যুদন্ড আইন পাশ করেছে। এর পরও মাদক ঠেকানো যাচ্ছেনা। র্যাব ও পুলিশের মাদক বিরুধী অভিযানে গত বছর ২৯ অক্টোবর থেকে চলতি বছরে ২৯ জানুয়ারী পর্যন্ত এ ৩ মাসে ৩৩ জন মাদক ব্যবসায়ী কথিত বন্দোকযুদ্ধে মারা যায়। এর পরও মাদক থেমেনী। প্রশ্ন উঠেছে, আসলে মাদক কারবারিরা প্রাণ বাঁচাতে আতœসর্ম্পণ করছেন ? না মাদক রোধের জন্য। এ নিয়ে সীমান্ত এলাকা জোড়ে সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ দাবী করেছে, ওদের অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হউক।
