হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে দায়িত্বরত ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা সীমান্ত ও সড়কে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪০হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে। এসময় মাদক বহনে ব্যবহৃত ১টি সিএনজি জব্দ করা হয়।
সুত্র জানায়, ১৮জানুয়ারী ভোর ৫টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের উনছিপ্রাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১৭ হতে সাড়ে ৩কিঃ মিঃ উত্তর দিকে লম্বাবিল শাহজাহানের দ্বীপ এলাকা দিয়ে মায়ানমার হতে মাদকের একটি চালান বাংলাদেশে আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল ঘটনাস্থলে গিয়ে কৌশলগত অবস্থান নেয়। জনৈক ফরিদ হাজীর মাছের ঘের এলাকায় ঊনছিপ্রাং রইক্ষ্যংয়ের মকতুল হোছনের পুত্র শামসুদ্দিন (৩৭) কে সন্দেহজনকভাবে ঘুরাফেরা করতে দেখে বিজিবি টহলদল ঐ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদকালের এক পর্যায়ে সে মায়ানমার হতে বাংলাদেশে মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। এক পর্যায়ে সে মায়ানমারের ২জন নাগরিক হতে ইয়াবা সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করলে তার দেওয়া তথ্যমতে ঘের সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশী করে পাচারের জন্য গোপন স্থানে গেঞ্জি দিয়ে মোড়ানো ৩টি ইয়াবা ভর্তি প্যাকেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। যা গণনা করে ৩০হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।
অপরদিকে সকাল সাড়ে ৮টারদিকে হোয়াইক্যং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে যানবাহনযোগে মাদক পাচারের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং চেকপোস্টে যানবাহন নজরদারী ও তল্লাশী কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়।
হোয়াইক্যং কাঞ্জরপাড়া হতে থাইংখালীগামী ১টি সিএনজি চেকপোস্টের নিকট আসলে তা তল্লাশীর জন্য থামানো হয়। পরে উক্ত সিএনজি তল্লাশীকালীন চালকের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ার তাকে চেকপোস্টে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্য দ্বারা তল্লাশী করা হয়। তল্লাশীর এক পর্যায়ে বিজিবি সদস্য কর্তৃক চালকের সীটের নীচে অভিনব পদ্ধাতিতে লুকায়িত অবস্থায় ১০হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় অবৈধভাবে মাদক বহনের দায়ে সিএনজিটি জব্দসহ চালক স্থানীয় কাঞ্জর পাড়ার আবুল কাশেমের পুত্র আবুল হোছন (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়।
টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান (পিএসসি) জানান,আটক আসামীদের জব্দকৃত ইয়াবা এবং সিএনজিসহ নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। ###
