আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদে কাইয়ুম সওদাগরের প্রতিবাদ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জননেতা আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি অনলাইন মিডিয়াই সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট ভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ঐ সংবাদে উল্ল্যেখ করা হয়েছে যে নিষিদ্ধ মাদকের সাথে আবদুল্লাহ সম্পর্ক রয়েছে। অথচ সরকারের মাদক বিরুধী অভিযান ও মাদকের তালিকায় রাষ্ট্রের কোনো গোয়েন্দা সংস্থা আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মাদকের সংশ্লিষ্টা পাইনি। যা সমগ্র কক্সবাজারবাসী অবগত। এছাড়া সংবাদে আরো উল্ল্যেখ করা হয়েছে যে আবদুল্লাহর দ্বারা নাকি টেকনাফের বিএনপির সাংঘটনিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। এবং তিনি নাকি পাল্টা কমিটি দেন। এটাও একটি ভিক্তিহীন কথা বলে আমি মনে করি। সর্বশেষ বাহারছড়া ইউনিয়ন উত্তর শাখার বিএনপির কমিটি নিয়ে আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তাও সম্পুর্ণ মিথ্যা বলে আমি মনে করি। কারণ বাহারছড়া ইউনিয়ন আহবায়ক কমিটি নিয়ে আমরা বাহারছড়া বিএনপি টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর আলমের সাথে দেখা করতে যায়। সেখানে আমরা যারা কমিটির বিভিন্ন পদের প্রার্থী ছিলাম তারা উপস্থিত ছিলাম। পরে সভাপতি জাফর আলম আমাদের বলে যে বৈঠকের মাধ্যমে বাহারছড়ার কমিটি ঘোষণা করা হবে। তার মধ্যে আমরা চলে আসলে গোপনে জাফর আলম সম্পুর্ণ একচেটিয়া ভাবে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে চুরি করে এক পক্ষের কমিটি ঘোষণা করে। পরে আমরা সংবাদ মাধ্যমে তা জানতে পেরে তা জীজ্ঞেস করলে তিনি এই ব্যাপারে আমাদের কোনো কথা না বলার জন্য বলেন। এটা হয়েছে মুলত অতীতের ন্যায় আমি টাকা দিতে পারি নাই বলে। অথচ আমি বিএনপির জন্য বাহারছড়াতে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। ৯৬ সাল থেকে ২০০৭ পর্যন্ত বাহারছড়া ইউনিয়ন পুরো যুবদলের সভাপতি ছিলাম, ১৩ সালে পুরো ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হয়ে পরে সভাপতি নির্বাচিত হই। আবার ১৬ সালের কমিটিতে বাহারছড়ার উত্তর শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়। তার মধ্যে জাফর আলম যে একজন টাকা লোভী তা চূড়ান্ত ভাবে জানতে পারি। কারণ ১৬ সালে কমিটিতে জাফর আলম আমার থেকে এক লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়। তা থেকে বুঝা যায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কে ব্যবহার করে এই লোভী প্রকৃতির লোক কমিটির নামে ব্যবসায় নেমেছে। প্রত্যেক কমিটি তিনি টাকার বিনিময়ে একক ভাবে ঘোষণা করে। এটাই যেন তার ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। কারণ আমাদের জানামতে তার কোনো ব্যবসা নেই। অথচ আমরা তৃণমুলের সবাই জানি আবদুল্লাহ একজন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবীদ। তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী লোক। তাকে ছাড়া বলতে গেলে টেকনাফের রাজনীতি অচল। তার প্রভাব বিপত্তিতে টেকনাফের বিএনপি টিকে আছে। আর বিএনপির উচ্চ পর্যায় থেকে তদন্ত করুক বাহারছড়াতে কোন কমিটির জনপ্রিয়তা বেশি। তৃণমুলে কোন কমিটির গ্রহন যোগ্যতা বেশি। অন্যদিকে সেটা আবদুল্লাহর ব্যাপারেও তদন্ত হোক। ইনশাল্লাহ সব কিছু মিলে উঠে আসবে তিনি একজন সচ্চ রাজনীতিবীদ। আবদুল্লাহর উপর ভর করে টেকনাফের সব দলীয় কর্মসূচী পালিত হয়। যা বিএনপির সবাই জানে। তবে যড়যন্ত্রকারীরা তার বিরুদ্ধে অপ্রচারে নেমেছে। এবং মিডিয়াটা তার মানহানী করার চেষ্টা করতেছে। তাই সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ তার বিরুদ্ধে সচ্চ তদন্ত করে সংবাদ প্রকাশ করুণ। পরিশেষে আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
আবদুল কাইয়ুম সওদাগর
আহবায়ক, বাহারছড়া ইউনিয়ন উত্তর শাখা।