টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে আ*ই*স ও ই*য়া*বা উদ্ধার ; ইজিবাইক জব্দ

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় বিজিবি জওয়ানেরা পৃথক অভিযান চালিয়ে ২কেজি ১২০গ্রাম আইস,৮০ হাজার ইয়াবা ও মালিকবিহীন ইজিবাইক জব্দ করেছে।

সুত্র জানায়, ৮অক্টোবর রাত পৌনে ২টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের খারাংখালী বিওপির বিশেষ একটি টহলদল নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় ২জন ব্যক্তি নাফনদী পার হয়ে বেড়িবাঁধের দিকে অগ্রসর হতে দেখে বিজিবি জওয়ানেরা সামনে অগ্রসর হয়ে ধাওয়া করে। এসময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে দূবৃর্ত্তরা হাতে থাকা ব্যাগটি ফেলে নাফনদীতে লাফ দিয়ে সাঁতার কেটে ওপারে চলে যায়। ঘটনাস্থল তল্লাশী চালিয়ে ব্যাগটি উদ্ধার করে ২কেজি ১২০গ্রাম (ক্রিস্টাল মেথ) আইস ও ৩০হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। যার মূল্য ১১ কোটি ৫০লক্ষ টাকা।

অপরদিকে সকাল সোয়া ৫টারদিকে একটি ইজিবাইক হোয়াইক্যং চেকপোস্টে না থামিয়ে দ্রæত চলে যেতে চাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশর্^বর্তী ধান ক্ষেতে পড়ে যায়। তখন চালক পালিয়ে গেলে ইজিবাইকটি উদ্ধার করে তল্লাশী চালিয়ে প্লাস্টিক বস্তায় অভিনব কায়দায় লুকানো ৫০হাজার পিস ইয়াবাসহ ইজিবাইকটি জব্দ করে। যার মূল্য ১ কোটি ৫১লক্ষ ৫০হাজার টাকা।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান,পৃথক অভিযানে জব্দকৃত ইজিবাইক হ্নীলা শুল্ক ষ্টেশনে জমা দেওয়ার পর আইস ও ইয়াবা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য,সাম্প্রতিক সময়ে মায়ানমারে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দের জেরধরে নাফনদীর বুকে জেগে উঠা চরে বেশ কয়েকটি চোরাকারবারী ও সন্ত্রাসী গ্রæপ অবস্থান নেয়। তোঁতার দ্বীপ ও নাগাকুরা দ্বীপে আশ্রয় নেয় স্বশস্ত্র নবী হোসেন গ্রুপের সদস্যরা। গত মাসের শেষের দিকে শুক্রবার নাগাকুরা দ্বীপে সকাল ৯টার পর প্রকাশ্যে গোলাগুলি ও ধাওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্তের লোকজন আতংকিত হয়ে পড়ে এবং চলতি মাসের ৫ অক্টোবর দুপুরের দিকে উলুবনিয়া সীমান্ত নবী হোসেন বাহিনীর লোকজন এসে ফাঁকা গুলিবর্ষণের পর মৎস্যঘেঁরের যন্ত্রপাতি নিয়ে যায়। পরে বিজিবির মধ্যস্থতায় ফেরত দেয়। যে কারনে স্থানীয় মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে। একই গ্রæপের ইসলাম ও কালাপুতুর নেতৃত্বে চালিত গ্রুপ এই আইস ও ইয়াবার চালান বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছানো হয়। পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ার মোক্তার আহমদের পুত্র শাহজাহানের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট এই মাদকের চালান খালাসে সক্রিয় ছিল বলে বিশ্বস্থ সুত্রের দাবী। ###