টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে আরো দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

হুমায়ূন রশিদ /গিয়াস উদ্দিন ভূলু : টেকনাফে বিজিবির মাদক উদ্ধার অভিযানে ইয়াবা কারবারী ও বিজিবি জওয়ানদের মধ্যে গোলাগুলিতে ৩ বিজিবি সদস্য আহত ও ২ মাদক কারবারী গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল হতে ইয়াবা, দেশীয় বন্দুক, বুলেট এবং কিরিচ জব্দ করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারীদ্বয় হাসপাতালে মারা যায়।

বিজিবি সুত্র জানায়, ৩০ সেপ্টেম্বর ভোররাত ১টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটেলিয়নের দমদমিয়া বিওপির একটি টহল দল ইয়াবা চালান মওজুদের সন্ধান পেয়ে দক্ষিণ দমদমিয়া এলাকায় একটি পাহাড়ি আস্তানা ঘেরাও করে। পরে মাদক অপরাধীদের আতœসমপর্ণের আহবান জানালে দূবৃর্ত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করতে থাকলে বিজিবির ৩জন জওয়ান আহত হয়। পরে বিজিবিও আতœরক্ষার্থে পাল্টা ১০মিনিট পর্যন্ত গুলিবর্ষণ করলে গুলিবর্ষণকারী পাশর্^বর্তী জঙ্গলে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশী চালিয়ে ৫০হাজার ইয়াবা, ২টি দেশীয় তৈরী বন্দুক. ৩ রাউন্ড বুলেট ও ৩টি ধারালো কিরিচসহ গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে।

পরে আহত ৩ বিজিবি সদস্য ও গুলিবিদ্ধ ২ ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে আহত বিজিবি সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারীদ্বয়কে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়। তাদের পকেটে থাকা পরিচয়ের সুত্রধরে নিহতরা মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার নাগাকুরাস্থ বুড়া সিকদারপাড়ার মৃত হারুনুর রশিদের পুত্র মোঃ জামাল(২৭) এবং জাফর আলমের পুত্র মোঃ ইউনুছ (২১) বলে তারা গেছে।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) এই মাদক উদ্ধার অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত স্বাপেক্ষে এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।