বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফ ব্যাটালিয়নের পৃথক অভিযানে ৭ জন আসামীসহ ক্রিস্টাল মেথ আইস, ইয়াবা ট্যাবলেট, অবৈধ কাঠ এবং ট্রলার উদ্ধার করা হয়েছে।
সুত্র জানায়, বিজিবি’র টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ০৮ মার্চ ২০২২ তারিখ আনুমানিক ১২৪০ ঘটিকায় অধীনস্থ সাবরাং বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিএমআর-০৪ হতে আনুমানিক ৩০০ গজ পূর্বে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি বিশেষ টহলদল সেন্টমার্টিন দ্বীপ বিওপি’তে যাওয়ার প্রাক্কালে নাফ নদীর মোহনায় একটি সন্দেহভাজন ট্রলারকে আড়াআড়িভাবে (পশ্চিম-পূর্ব দিকে) সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে। বিজিবি টহলদল সন্দেহভাজন ট্রলারটিকে চ্যালেঞ্জ করে এবং থামার সংকেত দেয়। বিজিবি’র সংকেত পেয়ে উক্ত ট্রলারটি গতি না থামিয়ে আরো বাড়িয়ে দেয়। বিজিবি টহলদল স্পীড বোট দ্বারা ধাওয়া করে উক্ত ট্রলারটিকে ঘেরাও করতঃ আটক করতে সক্ষম হয়। ট্রলারটি তল্লাশী করে ০৬ জন মিয়ানমার নাগরিককে মিয়ানমার হতে অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা কাঠসহ আটক করে। উক্ত সময় নাফ নদীতে ভাটা শুরু হওয়ায় ট্রলারটি জিন্নাহ খালের চরে আটকা পড়ে। পরবর্তীতে ০৯ মার্চ ২০২২ তারিখ ট্রলারটিকে জিন্নাহ খাল হতে টেকনাফ জেটিঘাটে নিয়ে আসা হয় এবং ১৭২০ ঘটিকায় ট্রলারটিকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশীকালে ট্রলারের পাটাতনের ভিতরে লুকায়িত অবস্থায় ৫,২৯,৫০,০০০/- (পাঁচ কোটি ঊনত্রিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা মূল্যমানের ১.০৫৯ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও উক্ত ট্রলার হতে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে পাচার করে আনা ২,১০,০০০ (দুই লক্ষ দশ হাজার) টাকা মূল্যমানের ৭০ (সত্তর) পিস (৩.৫ টন) গর্জন কাঠসহ ৪৫,০০,০০০/- (পঁয়তাল্লিশ লক্ষ) টাকা মূল্যমানের ট্রলারটি জব্দ করা হয়। এছাড়াও আটককৃত আসামীদের নিকট হতে ১১,৫০০ টাকা মূল্যমানের ০৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত কাঠ ও ট্রলারটি আইন অনুযায়ী টেকনাফ শুল্ক গুদামে জমা করতঃ আটককৃত ০৬ জন আসামীকে (মিয়ানমার নাগরিক) জব্দকৃত ক্রিস্টাল মেথ আইস ও মোবাইল ফোনসহ নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্থান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
অপরদিকে, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং চেকপোষ্ট হতে ০১ জন আসামীসহ (মহিলা) ২,৮৭,০০০/- (দুই লক্ষ সাতাশি হাজার) টাকা মূল্যমানের ৯৫৫ (নয়শত পঞ্চান্ন) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামীকে (বাংলাদেশী নাগরিক) জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মোবাইল ফোনসহ নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
